রাজ্য


  • ধোঁয়া মুক্ত করার জন্য মানিকচকের নারায়নপুর চরের বাসিন্দাদের দেওয়া হল বিনামূল্যে এলপিজি গ্যসের কানেকশান।

    মালদা,১৬ জুনঃ ‘ধূনা সে মুক্তি হর ঘর কি সমৃদ্বি’(DHUNA SE  MUKTI HAR GHAR KI SAMRIDHI)  এই স্লোগান কে সামনে রেখে  মালদার মানিকচক ব্লকের অন্তর্গত নারায়ণপুর চরে  অবস্থিত পরিবারগুলোর জন্য প্রশাসনের তরফে বিনামূল্যে এলপিজি গ্যাস ৭৮টি পরিবারকে দেওয়া হলো। এই উপলক্ষে এক অনুষ্ঠানের আউওজন করা হয়েছিল। এদিনের অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন মালদা জেলা পরিষদের সভাধিপতি  শ্রী  গৌর চন্দ্র মন্ডল এছাড়াও সঙ্গে ছিলেন অতিরিক্ত জেলা শাসক অশোক মোদক মানিকচক ব্লকের  বিডিও সুরজিৎ পণ্ডিত ও  ইন্ডিয়ান অয়েল কর্পোরেশন  এর অধিকর্তা অভিজিত দে সহ বিভিন্ন স্বেচ্ছাসেবী সংস্থার কর্মকর্তারা।গ্যাস সিলিন্ডার গ্যাসের ওভেন সহ বিভিন্ন সামগ্রী তুলে দেওয়া হয়  ৭৮  টি পরিবারকে। আগামী  দিনে এলাকার সমস্ত পরিবারগুলিকে গ্যাস পরিষেবা দেওয়া হবে এছাড়াও এলাকার সার্বিক উন্নয়নে প্রশাসন নানান কর্মসূচি চালিয়ে যাবে। স্বাভাবিক ভাবেই  একের পর এক সুবিধা পেয়ে পেয়ে খুশি নারায়ণপুরের পরিবারগুলি।

  • শুরুহল মালদার মহা ঐতিয্যবাহী রামকেলি উৎসব ২০১৯

    কার্ত্তিক পাল, মালদা,১৬ জুনঃ শুরুহল মালদার মহা ঐতিয্যবাহী রামকেলি উৎসব ২০১৯ । আজ জৈষ্ঠ্য  সংক্রান্তিতে শুরু হল এই বছরের  রামকেলি উৎসব। কথিত আছে চৈতন্যদেব, রুপ সনাতনের মিলনকে কেন্দ্র করে তিনদিনের এই উৎসব শুরু হয়েছিল। এই রামকেলি উৎসবের শুভ  সূচনা হল আজ। যদিও গতকাল বিকালে রামকেলিতে মদনমোহন জিউয়ের মন্দিরের  সামনে চৈতন্যদেবের মূর্তিতে মালা দিয়ে ও মঞ্চে প্রদীপ জ্বালিয়ে মেলার শুভ উদ্বোধন হয়। সেখানে উপস্থিত ছিলেন জেলা পরিষদের সভাপতি শ্রী গৌর চন্দ্র মণ্ডল, জেলা শাসক কৌশিক ভট্টাচার্য, জেলা পরিষদের মেন্টর শ্রী কৃষ্ণেন্দু নারায়ন চৌধুরী, ইংরেজবাজারের বিধায়ক ও পুরপ্রধান শ্রী নীহার রঞ্জন ঘোষ। এরপর মঞ্চে শুরু হয় বাউল গান।   ইংরেজবাজারের বিধায়ক ও পুরপ্রধান শ্রী নীহার রঞ্জন ঘোষ রামকেলির  বাদুল্লাবাড়ীতে চৈতন্যদেব, রুপ সনাতনের মূর্তির উদ্বোধন করেন। মালদার ইতিহাস থেকে জানা যায়, এক সময় বাংলার রাজধানী ছিল গৌড়। তৎকালীন গৌড়ের বাদশা ছিলেন হুসেন শাহ। তার মন্ত্রীসভার দুই সদস্য ছিলেন রুপ সনাতন গোস্বামী।  ১৫০৯ খ্রিস্টাব্দে রামকেলিতে মদনমোহন জিউয়ের মন্দিরের প্রতিষ্ঠা করেন তারা। বৃন্দাবনের মত এখানেও আটটি পুকুর খনন করেন। এবং এই রামকেলিকে তারা বৃন্দাবনের আদলে গড়ে তুলতে চেয়েছিলেন। যার ফলে রামকেলি গুপ্ত বৃন্দাবন নামে পরিচিত হয়। কথিত আছে ১৫১৫ খ্রিস্টাব্দের জৈষ্ঠ্য সংক্রান্তিতে চৈতন্যদেবের পদার্পণ ঘটেছিল এই রামকেলিতে। মদনমোহন জিউয়ের মন্দির সংলগ্ন কদম্ব ও তমাল গাছের ছায়ায় চৈতন্যদেবের সাথে দেখা হয়েছিল রুপ সনাতন গোস্বামীর। তারপর থেকে এই দিন্টীকে স্মরণীয় করে রখার জন্য রামকেলি উৎসব শুরু হয়। শনিবার সকাল থেকে আসতে শুরু করেন বৈষ্ণব বৈষ্ণবীরা, সাধু সন্তরা ও সাধারন ভক্তরা। উত্তরবঙ্গের বিভিন্ন জেলা, আসাম, বিহার ও ঝাড়খন্ড থেকে দলে দলে ভক্তরা এসে মন্দির চত্বর দখল করেন তারা। গোটা রামকেলি গ্রাম জুড়ে বসে গিয়েছে হরেক রকমের দোকান। পুলিশ প্রশাসনের পক্ষ থেকে সহায়তা কেন্দ্র খোলা হয়েছে। এ ছাড়াও সীমান্তের পাশাপাশি হওয়াতে পুলিশ প্রশাসন নিরাপত্তা ব্যাবস্থা জোরদার করেছেন।     

  • মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে আলোচনায় রাজি জুনিয়র চিকিৎসকরা, তবে একটি শর্তে

    ১৬ই জুনঃ জুনিয়র ডাক্তারদের  কর্মবিরতি এক সপ্তাহ  চলার পর, তাঁরা সরকারের সঙ্গে আলোচনায় রাজি বলে জানালেন  জুনিয়র চিকিৎসকরা। শনিবার রাতের পর রবিবার সকালে এনআরএস-এর অডিটোরিয়ামে জুনিয়র ডাক্তারদের  জিবি বৈঠক বসে। রাজ্যের বিভিন্ন মেডিক্যাল কলেজের জুনিয়র চিকিৎসকদের প্রতিনিধিরা ছাড়াও ছিলেন রাজ্যের স্বাস্থ্য শিক্ষা অধিকর্তা। তারপরেই তাঁরা জানান, “মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে আলোচনা করে আমরা এই অচলাবস্থার অবসান চাই, তবে স্বচ্ছতার জন্য এই বৈঠক রুদ্ধদ্বার হবে না, সংবাদমাধ্যমের ক্যামেরার সামনে বৈঠক হবে”।  তারা আরও জানান মুখ্যমন্ত্রীর বলে দেওয়া স্থানেই বৈঠক করতে তারা রাজি। সেখানে পশ্চিমবঙ্গের  মেডিক্যাল কলেজের পর্যাপ্ত সংখ্যায় প্রতিনিধিরা হাজির থাকবেন। সেই বৈঠকে মিডিয়াও হাজির থাকবে। শনিবার জুনিয়র চিকিৎসকরা বলেছিলেন মুখ্যমন্ত্রীর কাছে যেটা ইগোর লড়াই, তাঁদের কাছে সেটাই বাঁচার লড়াই। শনিবারের মতো রবিবারেও জুনিয়র চিকিৎসকরা মুখ্যমন্ত্রীর  সাংবাদিক সম্মেলনে  নিয়ে অভিযোগ করে বলেন ‘আমাদের আন্দোলন নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন। মানুষের মনে ভুল ধারনা তৈরি করেছেন। শনিবারে মুখ্যমন্ত্রীর বিবৃতি ছিল বিভ্রান্তিমূলক। এ ব্যাপারে সরকারের তরফে এখনও পর্যন্ত কোনও উত্তর দেওয়া হয় নি।    

  • ভস্মীভূত গৃহস্থ বাড়ি, দোষীদের গ্রেপ্তারের দাবি নিয়ে অসহায় দম্পতি প্রশাসনের বিভিন্ন স্তরে

    মালদা,১৬ই জুনঃ আগুনে সব কিছু খুইয়ে এক অসহায়  দম্পতি বিচারের আশায় প্রশাসনের বিভিন্ন দ্বারে দ্বারে ঘুরে বেড়াচ্ছেন। কিন্তু  আজ পর্যন্ত সামান্য সহানুভূতি পাননি প্রশাসনের বিভিন্ন স্তরে।  নিরুপায় হয়ে সংবাদ মাধ্যমের দ্বারস্ত হয়েছেন। ঘটনাটি গত মাসের ৯তারিখের অর্থাৎ  গত 9 মের ঘটনা। মালদহের ইংরেজবাজার থানার সেকান্দরপুর গ্রামে সেই দিন রাত সাতটা নাগাদ ঘটনাটি ঘটে। ভয়াবহ এক অগ্নিকাণ্ডে ভস্মীভূত হয়ে যায় ওই গ্রামের বাসিন্দা সুকেশ গুপ্তের বাড়িঘর। নগদ দেড় লক্ষ টাকা, আধার কার্ড, ভোটার কার্ড সমস্ত নথি এমন কি বাড়িতে থাকা আসবাবপত্র, এক কথায় পরনে থাকা কাপড় ছাড়া সমস্ত কিছু পুড়ে ছাই হয়ে যায়। সর্বস্ব হারিয়ে এখন খোলা আকাশের নিচে আশ্রয় নিয়েছে সুকেশ গুপ্ত তার স্ত্রী শম্পা গুপ্ত, তাদের বৃদ্ধ মা এবং তাদের ছোট্ট দুই ছেলে মেয়ে। সুকেশ গুপ্ত এবং তার স্ত্রী শম্পা গুপ্তের  অভিযোগ, সেদিন রাতে তারা স্থানীয় দুই বাসিন্দা খগেন ঘোষ এবং দুলাল ঘোষ কে তাদের বাড়িতে আগুন লাগিয়ে বেরিয়ে আসতে দেখেন। স্থানীয় একটি জায়গায় গোবর ফেলা নিয়ে গন্ডগোল এর জেরে তারা বাড়িতে আগুন লাগিয়ে দেয় বলে অভিযোগ করেছেন ওই দম্পতি। তাদের আরও অভিযোগ এই ঘটনার পর মিল্কি পুলিশ ফাঁড়ি এবং ইংরেজবাজার থানায় অভিযুক্তদের গ্রেফতারের দাবি নিয়ে একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়। অভিযোগ, দোষীদের গ্রেপ্তার না করে বার বার হেনস্থা করা হয় ওই দম্পতিকে। এরপর পুলিশি নিষ্ক্রিয়তার অভিযোগ তুলে পুলিশ সুপারের দ্বারস্থ হয় ওই দম্পতি। তার পাশাপাশি ইংরেজবাজার বিডিওকেও ক্ষতিপূরণ এবং দোষীদের গ্রেপ্তারের দাবিতে একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়। কিন্তু কোন  লাভ হয়নি বলে অভিযোগ করেন ওই দম্পতি। এদিন  সংবাদ মাধ্যমের প্রতিনিধিদের কাছে পেয়ে তাদের আক্ষেপের কথা তুলে ধরেন ওই দম্পতি। আমাদের মাধ্যমে পুলিশ প্রশাসনের কাছে  তার করুন কন্ঠে আবেদন  যাতে দোষীদের গ্রেপ্তার করা হয় এবং তাদের ক্ষতিপূরণ দেওয়া হয়। এ ব্যাপারে ইংরেজবাজার থানার সাথে যোগাযোগ করেও কোন জবাব পাওয়া যায়নি।

  • মুখ্যমন্ত্রী জনগণকে বিভ্রান্ত করে আমাদের বিরুদ্বে ব্যবহার করতে চাইছেন অভিযোগ জুনিয়র চিকিৎসকদের

    ডেস্ক, ১৫ জুনঃ মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় জনগণকে বিভ্রান্ত করে আমাদের বিরুদ্বে লড়াইয়ে  নামিয়ে দিতে  চাইছেন , এমনই অভিযোগ করলেন আন্দোলনরত জুনিয়র চিকিৎসকরা। শনিবার ৫ ম দিনে জুনিয়র চিকিৎসকদের কর্মবিরতি। এনআরএস-এর জুনিয়র চিকিৎসকদের পাশে দাঁড়িয়েছেন রাজ্যের সবকটি সরকারি হাসপাতালের জুনিয়র চিকিৎসকরা। রাজ্যের চিকিৎসা ব্যবস্থা ভেঙে পড়েছে। চিকিৎসকদের আন্দোলনের রেশ পৌঁছে গিয়েছে সারা দেশে। আজ নবান্ন থেকে  সাংবাদিক সন্মেলন করে জুনিয়র চিকিৎসকদের কর্মবিরতি প্রসঙ্গে  মুখ্যমন্ত্রী বলেছিলেন, চিকিৎসকদের সব দাবি মানা হয়েছে। তিনি ৫ ঘন্টা অপেক্ষা করেছিলেন বলেও মন্তব্য করেন মুখ্যমন্ত্রী।  তিনি আরও  দাবি করেন, এনআরএস-এর হামলার ঘটনায় ৫ জন গ্রেফতার করা হয়েছে। ধৃতদের বিরুদ্ধে এমন ধারা দেওয়া হয়েছে, যাতে আদালতে গিয়েও তারা জামিন পায়নি। এদিন সাংবাদিক সম্মেলন চলাকালীন মুখ্যমন্ত্রী কিছুক্ষণের জন্য উঠে যান। পরে এসে বলেন কোনও কোনও জুনিয়র চিকিৎসক কাজে যোগ দিতে চান। পরে জানা যায় জুনিয়র চিকিৎসকরা যাতে কাজে যোগ দেন, তার জন্য চেষ্টা চালাচ্ছে আইএমএ-র প্রেসিডেন্ট তথা তৃণমূল নেতা শান্তনু সেন।  মুখ্যমন্ত্রীর সাংবাদিক সম্মেলনেরই পরেই জুনিয়র চিকিৎসকরা জানিয়ে দেন, তাঁরা আন্দোলন চালিয়ে যাবেন। তারা অভিযোগ করেন মুখ্যমন্ত্রী' জনগণ কে বিভ্রান্ত করতে চাইছেন  তাঁদের মধ্যে থেকে কেউ কাজে যোগ দেওয়ার ইচ্ছা প্রকাশ করেননি বলেই দাবি করা হয়। পাশাপাশি তাঁরা বলেন, মুখ্যমন্ত্রী সমস্যার সমাধানে না গিয়ে আমাদের মধ্যে বিভেদ তৈরী করতে  চাইছেন।    

  • মুখ্যমন্ত্রীকে চিকিৎসকদের নিরাপত্তা সুনিশ্চিত করার পরামর্শ রাজ্যপালের।

    ডেস্ক, ১৫ জুনঃ চিকিৎসকদের ধর্মঘট নিয়ে   রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে চিঠি লিখলেন রাজ্যপাল কেশরীনাথ ত্রিপাঠী. রাজ্যের স্বাস্থ পরিষেবা তলানিতে এসে ঠেকেছে। চিকিৎসা করাতে গিয়ে বিফল হতে হচ্ছে বহু রোগীকে খালি হাতে ফিরতে হচ্ছে । রোগীকেই। মৃত রোগীর পরিবারের হাতে আক্রান্ত হওয়ার প্রতিবাদে চিকিৎসকদের ধর্মঘট করা নিয়ে সোশ্যাল মিডিয়াতেও ঝড় উঠেছে। উপযুক্ত নিরাপত্তা না পেলে চিকিৎসা করা সম্ভব নয়, বলে জানিয়ে দিয়েছেন চিকিৎসকরা। চিঠিতে রাজ্যপাল, চিকিৎসকদের নিরাপত্তা সুনিশ্চিত করার পরামর্শ দিলেন রাজ্যের সাংবিধানিক প্রধান। মুখ্যমন্ত্রীকে লেখা চিঠিতে, স্বাস্থ্য পরিষেবার সঙ্গে যুক্ত ব্যক্তিদের উপযুক্ত নিরাপত্তার ব্যবস্থা করতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ করার পাশাপাশি রাজ্যে জুনিয়র চিকিৎসকদের ধর্মঘটের  ফলে তৈরি হওয়া সমস্যা সমাধানে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার পরামর্শ দিয়েছে রাজ্যপাল কেশরীনাথ ত্রিপাঠী।চিকিৎসদের নিরাপত্তা সুনিশ্চিত করে তাঁদের ভরসা জোগানোর পাশাপাশি তাঁদের ওপর হামলার ঘটনার তদন্ত এগিয়ে নিয়ে যাওয়ারও কথা বলেছেন রাজ্যপাল।   শুক্রবার রাজ্যপাল বলেন, জুনিয়র চিকিৎসকদের ধর্মঘট  নিয়ে মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে তিনি কথা বলার চেষ্টা করেছিলেন, তবে তিনি কোনও উত্তর পান নি। এদিকে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় জানিয়েছেন রাজ্যের সরকারী হাসপাতালগুলিতে তৈরি হওয়া সমস্যা মেটাতে তাঁর সরকার কী কী ব্যবস্থা নিয়েছে, তা জানিয়েছেন বলে  শনিবার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় জানালেন, চিকিৎসকদের সমস্ত নায্য দাবিগুলি মেনে নেবেন তিনি, এবং কাজ শুরু করার জন্য চিকিৎসকদের আর্জি জানালেন। শনিবার সন্ধ্যায় সাংবাদিক সম্মেলনে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, ”চিকিৎসকদের বিরুদ্ধে আমরা কোনও কঠোর ব্যবস্থা নিচ্ছি না”। এদিকে, সূত্রের খবর, রাজ্যের থেকে রিপোর্ট তলব করেছে কেন্দ্রীয় সরকার। চিকিৎসকদের নিগ্রহ করলে, তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য সমস্ত রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীকে চিঠি লিখেছেন কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রী হর্ষ বর্ধন। সোমবার, এক রোগীর মৃত্যু হলে দুই চিকিৎসকদের ওপর চড়াও হয়ে তাঁদের ওপর হামলা চালানোর অভিযোগ ওঠে মৃতের পরিবারের বিরুদ্ধে, তারই প্রতিবাদে শুরু হয় কর্মবিরতি,যা ছড়িয়ে পড়ে অন্য রাজ্যেও।  

  • মানিকচক থানা পুলিশের সাফল্য,মানিকচক উচ্চ বিদ্যালয়ের চুরি যাওয়া কম্পিউটার সামগ্রী উদ্ধার

    ১৫জুন,মালদা : ধারাবাহিক সাফল্য মালদার মানিকচক থানার।বিদ্যালয়ে চুরির ঘটনার অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্তে নেমে সাফল্য পেলো মালদার মানিকচক থানার পুলিশ।  চুরি যাওয়া কম্পিউটার সামগ্রী সহ গ্রেফতার চার যুবক।দ্রুত চুরির সামগ্রী উদ্ধার হওয়ায় মানিকচক পুলিশকে ধন্যবাদ জানাচ্ছেন বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ।ধৃত চারজনকেই মালদা জেলা আদালতে পেশ করেছে মানিকচক থানার পুলিশ। পুলিশ সূত্রে জানাগেছে, ধৃতরা হলেন সিদ্ধার্থ দাস(২০)স্নাতক স্তরের প্রথম বর্ষের ছাত্র।দীপঙ্কর লালা(১৯),চন্দন মন্ডল(২০) ও অভিজিৎ মন্ডল(২০)।ধৃতরা সকলেই মানিকচক থানার ধরমপুর অঞ্চলের ঝাইটনটোলা গ্রামের বাসিন্দা। পুলিশ জানিয়েছে,মানিকচক উচ্চ বিদ্যালয়ের কম্পিউটার রুমে চুরির ঘটনায় অভিযোগ জমা পরে গত ১৪ ই জুন।সেই অভিযোগের তদন্তে নামে পুলিশ।গোপন খবর পেয়ে শুক্রবার রাতে ওসি দেবব্রত চক্রবর্তীর নেতৃত্বে পুলিশ বাহিনী অভিযান চালায় ঝাইটনটোলা গ্রামে।ধৃতদের বাড়িতে তল্লাশি চালিয়ে পুলিশ উদ্ধার করে বিদ্যালয়ে চুরি যাওয়া সমস্ত কম্পিউটার সামগ্রী।উদ্ধার হয় ৪ টি মনিটর, ৪ টি সিপিইউ মেশিন, ৪টি ব্যাটারি সহ কম্পিউটারের একাধিক সামগ্রী।পুলিশের জেরায় গত ৮ তারিখ রাতে চুরির ঘটনার কথা স্বীকার করেছে ধৃতরা বলে জানিয়েছে পুলিশ। বিদ্যালয় সূত্রে জানাগেছে, গত ১০ তারিখ বিদ্যালয় খুলে।তার আগে বিদ্যালয়ে চলছিলো নানান কাজ।রঙের কাজে যুক্ত ছিলো এই চারজন।যারা এই বিদ্যালয়ের প্রাক্তন ছাত্র।১৩ জুন বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ জানতে পারেন কম্পিউটার বিভাগে চুরির ঘটনার কথা।পরদিন অর্থাৎ ১৪ ই জুন বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষিকা শ্রুতি কুমারী মানিকচক থানায় অভিযোগ দায়ের করে।তারপরই পুলিশ দ্রুত অভিযান চালিয়ে চুরি যাওয়া সামগ্রী উদ্ধার করা সহ চার চোরকে পাকড়াও করেন।পুলিশের এই দ্রুত এই চুরির কিনারা করায় খুশি বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ।পুলিশকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষিকা শ্রুতি কুমারী। এদিন ধৃত চারজনকেই মালদা জেলা পেশ করেছে মানিকচক থানার পুলিশ।সাথে উদ্ধার হওয়া সামগ্রী  বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষকে ফিরিয়ে দিতে আইনি পদক্ষেপ শুরু করেছে পুলিশ।

  • রাজ্যজুড়ে পালিত হলো বিশ্ব রক্ত দাতা দিবস

    --কলকাতা,রাজকুমার দাস:--- ১৪ জুনের দিনটা সকলকে মনে করিয়ে দিতে ওয়ার্ল্ড হেল্থ অর্গানাইজেশন (হু)বিগত বেশ কয়েক বছর ধরে(২০০৪সাল থেকে) বিশ্ব রক্তদাতা দিবস পালন করে আসছে।মানুষের মনে রক্ত দান করার প্রবণতা যেন আরও বিস্তার লাভ করতে পারে সেই উদ্যোগে।পাশাপাশি ১৪ই জুন কার্ল ল্যান্ডসেইনার এর জন্মদিন পালন কে সামনে রেখে এই দিনটাকে ওয়ার্ল্ড ব্লাড ডোনার ডে হিসাবে চিহ্নিত করা হয়েছে।মুমূর্ষ রোগী হোক কিংবা এক্সিডেনটাল কোনো রোগী সবার জন্য যেন রক্ত দিয়ে জীবন বাঁচিয়ে তোলা যায় সেই প্রচেষ্টা এবং এই দিনটি পালনের মধ্যে মানুষের মনে জাগ্রত করা রক্তদানের মতো মহৎ কাজে সামিল হওয়ার জন্য আজকের এই দিন বেশ গুরুত্ব পূর্ণ। রক্তদান করলে কোনো অসুবিধা হয় না।তারই এক জাগ্রত রূপকে বিশ্বের মানুষের কাছে পৌঁছে দিতে আজকের দিনে অনবদ্য ভূমিকা পালন করে আসছে।আজ বাংলা তথা ভারতের নানা স্থানে চলছে রক্তদান করার হিড়িক।এই মহৎ দান মানুষের উপকারে লাগবে তা বলাই বাহুল্য।ধর্ম জাত পাতের উর্ধে আমাদের একে অপরের সাথে হাত ধরে এগিয়ে চলার শপথ ও নিতে হবে;যেন আগামীতে সকলের কাছে এই বার্তা দ্রুত পৌঁছাতে পারে।

  • বিশ্ব রক্তদাতা দিবস উদযাপন মালদা শহরে

    News Bazar24 : আজ ১৪ ই জুন বিশ্ব রক্তদাতা দিবস উদযাপন অনুষ্ঠিত হয় শহরের সেবা নিকেতন ভবনে । সেন্ট জন অ্যাম্বুলেন্স, ভারতীয় রেডক্রস সোসাইটি, ভারত স্কাউট অ্যান্ড গাইড মালদা জেলা শাখা যৌথ ভাবে অনুষ্ঠানটি আয়োজন করে। অনুষ্ঠানের প্রধান উদ্দেশ্য ছিলো রক্তদান দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা, রক্তদাতা উদ্বুদ্ধকরণ, কুইজ এবং রক্তের জন্য হাঁটুন । আলোচনা সভায় বক্তব্য রাখেন ডা: ডি সরকার, সম্পাদক রেডক্রস সোসাইটি, সৌমিত্র সরকার সম্পাদক সেন্ট জন অ্যাম্বুলেন্স, নিরঞ্জন প্রামানিক ভারত স্কাউট অ্যান্ড গাইড, এছাড়া আশিস কুন্ডু কাউন্সিলর। কুইজ পরিচালনা করেন আশিস বাগ মালদা মিডিয়াম ক্লাবএর সদস্য। এছাড়া অনিল সাহা, সুরজিৎ মন্ডল রক্তদাতা উদ্বুদ্ধকরণ আলোচনা করেন। সংগীত পরিবেশন করেন রতন দাস, আর পি রায় ব্লাইন্ড স্কুল। সকলকে ধন্যবাদ জানিয়ে অনুষ্ঠান এর সমাপ্তি করেন তড়িৎ ওঝা সেন্ট জন অ্যাম্বুলেন্স। প্রশিক্ষণে মোট 90 জন শিক্ষার্থী অংশগ্রহণ করেন।

  • মমতার নবান্নে বৈঠকের ডাকের অনুরোধ প্রত্যাখ্যান জুনিয়র ডাক্তারদের, কাল ফের বৈঠকের আহ্বান

    ডেস্ক,১৪ ই জুন:  অবশেষে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় আজ রাতে  পশ্চিমবঙ্গে জুনিয়র চিকিৎসকদের ধর্মঘটের বিষয়ে আলোচনা করতে নবান্নে ডেকে পাঠিয়েছিলেন আন্দোলনরত জুনিয়র ডাক্তারদের। কিন্তু বৈঠকের আহ্বানে সাড়া দিলেন না চিকিৎসকরা। গতকাল মুখ্যমন্ত্রী যা বলেছেন, সে জন্য তাঁর শর্তহীন ক্ষমাপ্রার্থনার দাবিতে অনড় চিকিৎসকরা এবং ধর্মঘট  প্রত্যাহারের জন্য প্রশাসনের কাছে ছয়টি শর্তও দিয়েছেন  তাঁরা। জুনিয়ার ডাক্তারদের এই আন্দোলনকে সমর্থন জানিয়ে  রাজ্য জুড়ে বিভিন্ন সরকারি হাসপাতালে ৩০০ জনেরও বেশি সিনিয়র চিকিৎসক আজ পদত্যাগ করেছেন এবং আন্দোলনকারীদের সঙ্গেই জুড়েছেন। সন্ধ্যাবেলায় সিনিয়র ডাক্তারদের সঙ্গে দেখা করেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং পরে শনিবার আলোচনার জন্য আন্দোলনকারীদের আমন্ত্রণ জানান কিন্তু তারা প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করেন। আন্দোলনরত চিকিৎসকরা শুক্রবার সাক্ষাতের জন্য না আসায় ফের শনিবার বিকেল সাড়ে ৫ টায় রাজ্যের সচিবালয়ে নবান্নে তাঁদের সঙ্গে আবার বৈঠকে বসার ডাক দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী, জানিয়েছেন সিনিয়র চিকিৎসক সুকুমার মুখোপাধ্যায়। সুকুমার মুখোপাধ্যায় সহ অন্যান্য সিনিয়র চিকিৎসকদের সঙ্গে আজ নবান্নেই সমাধান খুঁজে বের করতে দীর্ঘ দুই ঘণ্টা ধরে আলোচনা করেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।  এরপরই মুখ্যমন্ত্রী তিন থেকে চার জন জুনিয়র চিকিৎসককে সচিবালয়ে আমন্ত্রণ জানানোর জন্য মেডিকেল শিক্ষা অধিকর্তা প্রদীপ মিত্রকে নির্দেশ দেন। তবে বৈঠকে যেতে অস্বীকার করেন চিকিৎসকরা। "জুনিয়র চিকিৎসকদের যৌথ ফোরামের একজন মুখপাত্র বলেন, “এটি আসলে আমাদের ঐক্য, আমাদের আন্দোলন ভেঙ্গে ফেলার একটি চক্রান্ত। আমরা রাজ্য সচিবালয়ে কোনও রকমের কোনও বৈঠকে উপস্থিত হব না। মুখ্যমন্ত্রীর এখানে (এনআরএস মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতাল) আসা উচিত এবং গতকাল এসএসকেএম হাসপাতালের তাঁর সফরকালে তিনি আমাদের সঙ্গে যেভাবে কথা বলেছেন, সেজন্য তাঁকে শর্তহীন ক্ষমা চাইতেই হবে।” বৃহস্পতিবার এসএসকেএম হাসপাতাল পরিদর্শনের সময়, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় যুক্তি দিয়েছিলেন যে কিছু ‘বহিরাগত' মানুষ বিঘ্ন সৃষ্টির জন্য মেডিকেল কলেজে প্রবেশ করেছে এবং এই আন্দোলন বস্তুত সিপিআই (এম) ও বিজেপির একটি মিলিত ষড়যন্ত্র।  ডাঃ সুকুমার মুখোপাধ্যায় বলেন, শুক্রবার রাতে জুনিয়র চিকিৎসকদের জন্য রাজ্য সচিবালয়ে মুখ্যমন্ত্রী অপেক্ষা করছিলেন এবং যখন চিকিৎসকরা জানালেন তাঁরা আসবেন না তখন ফের শনিবার সন্ধ্যায় নতুন করে বৈঠকের জন্য তাঁদের অন্য সময় দেন মুখ্যমন্ত্রী। তিনি আরও বলেন, “আমরা আশা করি কিছু জুনিয়র ডাক্তাররা নিশ্চয়ই আসবেন। আমরা এই সমস্যার  সমাধান খুঁজে বের করার জন্য মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করতে এসেছি।”