বিশ্ব


  • তেলের ট্যাঙ্কারের ‘হামলা’, প্রাণ বাঁচাতে জলে ঝাঁপ দিল নাবিকরা: হেলিকপ্টার পাঠানো হয়েছে বন্দর-ই-জসক থেকে

    news bazar24:  দু'টি তেলের ট্যাঙ্কারের (Oil tanker) উপরে আক্রমণ করে আগুন ধরিয়ে দেওয়ার ঘটনা ঘটেছে ওমান উপসাগরে (Gulf of Oman)। ওই দুই ট্যাঙ্কারে উপস্থিত নাবিকদের ট্যাঙ্কার থেকে নিরাপদে বৃহস্পতিবার ইরানের উপকূলে সরিয়ে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। এই দুর্ঘটনার জেরে বিশ্ববাজারে তেলের দাম গগনচুম্বী হয়ে গেল। গত সপ্তাহ কয়েকের মধ্যে এই ধরনের দু'টি ঘটনা ঘটল। যার ফলে তেহরান ও ওয়াশিংটনের মধ্যে উত্তেজনা বাড়ল। মে মাসের ট্যাঙ্কার দুর্ঘটনার জন্য অভিযোগের আঙুল উঠেছে ইরানের দিকে। ইরান জানিয়েছে, আগুন লাগার পরে দুই জাহাজ থেকে ৪৪ জন নাবিককে উদ্ধার করা হয়েছে। আগুন লাগাকে ‘আক্রমণ' বলে দাবি করা হয়েছে। নরওয়ের উপকূলবর্তী কর্তৃপক্ষের তরফে থেকে জানানো হয়েছে, নরওয়ের ট্যাঙ্কার ফ্রন্ট অলটেয়ারে তিনটি বিস্ফোরণ ঘটে, যাকে ‘আক্রমণ' আখ্যা দেওয়া হয়েছে। দ্বিতীয় আক্রান্ত জাহাজটি হল সিঙ্গাপুরের কোকুকা কারেজিয়াস। ইরানের রাজ্য সংবাদমাধ্যমের তরফে জানানো হয়েছে, স্থানীয় সময় সকাল ৮.৫০-এ হামলার সময় ফ্রন্ট অলটেয়ার দক্ষিণ ইরানের বন্দর-ই জসকের থেকে ২৫ নটিক্যাল মাইল দূরে অবস্থান করছিল। তাদের সরকারি সংবাদ সংস্থা IRNA জানিয়েছে, ওই জাহাজ ইথানল নিয়ে কাতার থেকে তাইওয়ানের দিকে যাচ্ছিল।  সংস্থার বিবৃতিতে বলা হয়, ‘‘জাহাজে আগুন লাগার পর থেকে ২৩ জন নাবিক জলে ঝাঁপ দেন। পার্শ্ববর্তী একটি জাহাজ তাঁদের উদ্ধার করে ইরানের উদ্ধারকারী দলের হাতে তুলে দেয়।'' ওই বিবৃতিতে আরও জানানো হয়, ‘‘প্রথম দুর্ঘটনার পরে দ্বিতীয় আগুন লাগার ঘটনাটি ঘটে বন্দর থেকে ২৮ নটিক্যাল মাইল দূরত্বে সকাল ৯.৫০-এ।'' পানামার পতাকা লাগানো কোকুকা কারেজিয়াস সৌদি আরব থেকে সিঙ্গাপুর যাচ্ছিল মেথানল নিয়ে। ওই জাহাজ থেকেও ২১ জন নাবিক জলে লাফ দেন। পরে তাঁদের উদ্ধার করা হয় বলে IRNA-র তরফ থেকে জানানো হয়। সিঙ্গাপুরের BSM Ship Management যাদের জাহাজ কোকুকা কারেজিয়াস, তারা জানিয়েছে, ‘‘নিরাপত্তা প্রসঙ্গে পূর্ণ মাত্রার সুরক্ষা চাওয়া হয়েছে।'' পাশাপাশি জানানো হয়, ‘‘দুর্ঘটনায় ওই ২১ জন নাবিককে উদ্ধার করা হলেও পরিত্যক্ত অবস্থায় থাকা জাহাজটির ক্ষতি হয়েছে।'' কোকুকা কারেজিয়াসের একজন নাবিক সামান্য আহত হয়েছেন। তাঁকে দ্রুত প্রাথমিক শুশ্রুষা দেওয়া হয়েছে। বিবৃতিতে আরও বলা হয়েছে, ওই জাহাজ সংযুক্ত আরব আমিরশাহি থেকে ৭০ নটিক্যাল মাইল ও ইরানের উপকূল থেকে ১৪ নটিক্যাল মাইল দূরে রয়েছে। তেহরান জানিয়েছে, পরবর্তী তদন্তের জন্য তারা একটি হেলিকপ্টার পাঠিয়েছে বন্দর-ই-জসক থেকে। US Fifth Fleet জানিয়েছে, ‘‘আমরা ওমান উপসাগরে ট্যাঙ্কারগুলির উপরে হওয়া হামলার ব্যাপারে ওয়াকিবহাল। মার্কিন নৌসেনা ওই এলাকায় দু'টি বিপদবার্তা পেয়েছে। একটি স্থানীয় সময় ৬.১২-তে। অন্যটি ৭.০০টার সময়।'' United Kingdom Marine Trade Operations (UKMTO) তাদের ওয়েবসাইটে এ বিষয়ে কোনও বিস্তারিক তথ্য না দিয়ে কেবল জানিয়েছে, ‘‘ব্রিটেন‌ ও তার সহযোগীরা এই মুহূর্তে তদন্ত করছেন।'' বিশ্বব্যাপী তেলের দাম ওই হামলার খবর প্রকাশ্যে আসার পরেই চার শতাংশ বেড়ে যায়। এক ব্যারেল প্রমাণ ব্রেন্ট তেলের দাম তিন শতাংশ বেড়ে গিয়ে দাঁড়ায় ৬১.৭৪ ডলার। ওমান উপসাগর strategic Strait of Hormuz-এর বিপরীত প্রান্তে অবস্থিত। এখান দিয়ে ১৫ মিলিয়ন ব্যারেল তেল ও তেল ছাড়াও বহু শত মিলিয়ন ডলার মূল্যের সামগ্রী রপ্তানি করা হয়। ১২ মে চারটি তেলের ট্যাঙ্কার— দু'টি সৌদি, একটি নরওয়ে ও একটি এমিরাতি— ওমান উপসাগরে এক হাম‌লার ফলে ক্ষতিগ্রস্ত হয়। মার্কিন জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা জন বল্টন জানিয়েছেন, ইরানের নৌসেনা এই সমস্ত হামলার পিছনে রয়েছে। কিন্তু তেহরানের যুক্ত থাকার সঠিক প্রমাণ পাওয়া যাচ্ছে না। সংযুক্ত আরব আমিরশাহি জানিয়েছে, পাঁচ দেশের সম্মি‌লিত তদন্তের পরে এই সিদ্ধান্তে পৌঁছনো গিয়েছে যে এসবের পিছনে একটি দেশ রয়েছে। কিন্তু ইরানই যে সেই দেশ, সেটা প্রমাণ করার মতো কোনও প্রমাণ পাওয়া যায়নি। বৃহস্পতিবারের হামলার ঠিক আগেই বুধবার ইরানের হুথি দস্যুরা দাবি করে, তারা একটি মিসাইল ছুড়েছে সৌদি আরবের এক বিমানবন্দরে। আহবা বিমানবন্দরে ওই হামলায় ২৬ জন আহত হয়েছেন। ইরান অবশ্য সব অভিযোগ অস্বীকার করেছে। কিন্তু সৌদি আরব এই দাবিতে অটল, যে আসল অপরাধী ইরানই। সৌদি রাজা সলমন এ মাসের গোড়ায় Organisation of Islamic Cooperation-এর এক বৈঠকে সকলকে সতর্ক করে বলেন, উপসাগরীয় এলাকায় জঙ্গি হানা হলে তেল পরিবহন ক্ষতিগ্রস্ত হবে। বিশ্বের সবচেয়ে বড় তেল রফতানিকারী দেশের সঙ্গে ইরানের সঙ্গে কটূ সম্পর্ক আজকের নয়। সৌদির তেলের পাইপলাইনে ইয়েমেনের হুথি দস্যুরা আক্রমণ করলে দুই দেশের মধ্যে সম্পর্ক খারাপ হয়ে যায়। জাপানের প্রধানমন্ত্রী শিনজো আবে বৃহস্পতিবার তেহরানের নেতা আয়াতোল্লা আলি খামেনেই-এর সঙ্গে আলোচনায় বসেন। মার্কিন-ইরান দ্বন্দ্ব কী করে কমানো যায়, সেকথা তাঁরা আলোচনা করেন, যা নিয়ে বিশ্ব চিন্তিত।

  • PM.মোদী কে কি টুইট করলেন , পাকিস্তানের প্রধান মন্ত্রী ইমরান খান ?

    ইসলামাবাদ:পিছিয়ে নেই পাকিস্তানের কূটনীতি। লোকসভা নির্বাচনে বিরাট জয়ের মুখ দেখেছে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী, পৃথিবীর থেকে বসে আসছে শুভেচ্ছা বার্তা, এমত অবস্থায় পাকিস্তানের প্রধানা মন্ত্রী ইমরান খান পিছিয়ে নেই, তিনিও টুইট করে জানিয়েছেন অভিনন্দন। তিনি টুইট করে লিখেছেন, ''বিজেপি ও তার সহযোগী দল ভোটে জয়লাভ করার জন্য আমি প্রধানমন্ত্রীকে অভিনন্দন জানাচ্ছি। দক্ষিণ এশিয়ার পরিস্থিতি শান্ত করার জন্য এবং এই এলাকার সমৃদ্ধির জন্য আমি তার সাথে কাজ করতে চাই।'' ''মোদির জোয়ার'' অব্যাহত, আর সেই জোয়ারে ভেসেই আবার একবার ভারতের সরকার গঠন করতে চলেছে বিজেপি।

  • মহামারীর আতঙ্ক ছড়াচ্ছে পাকিস্তানে,এর পেছনে রয়েছে দেশের কোয়াক ডাক্তাররা

    newsbazar24: সিন্ধে এইচআইভির শিকার শিশু-সহ শয়ে শয়ে মানুষ, মহামারীর আতঙ্ক ছড়াচ্ছে পাকিস্তানে , ভয়াবহ আকার নিচ্ছে এইচআইভির প্রকোপ। পাকিস্তানের সিন্ধ প্রদেশে দলে দলে অবিভাবক আসছেন স্বাস্থ্যকেন্দ্রে। সরকারের আন্দাজ এইচআইভি আক্রান্ত হয়েছে কমপক্ষে সিন্ধের ৪০০ জন। এদের অধিকাংশই শিশু।কী ভাবে এরকম ব্যাপক সংক্রমণ ঘটে গেল গোটা একটা প্রদেশে। সিন্ধের সরকারি আধিরারিকদের মতে এই সংকংর্মণের পেছনে রয়েছে দেশের কোয়াক ডাক্তাররা। এরাই অবশ্য পাকিস্তানের চিকিত্সা ব্যবস্থার মরুদণ্ড।পাকিস্তানে রয়েছেন ৬ লাখ কোয়াক। এর মধ্যে প্রায় ৩ লাখই সিন্ধের। মনে করা হচ্ছে সংক্রমিত সিরিঞ্জ থেকেই এরকম এক ভয়ঙ্কর ঘটনা ঘটে গিয়েছে।এর ফলে গোটা গোটা দেশই এখন মহামারীর আতঙ্কে কাঁপছে। কারণ সরকারি পরিসংখ্যানের বাইরে রয়ে গিয়েছে বহু আক্রান্ত। চিকিত্সকরা এখন অস্থায়ী ক্লিনিক বানিয়ে সেখানে রোগীদের রক্ত পরীক্ষা করছেন। লারকানার এক চিকিত্সক সংবাদমাধ্যমে জানিয়েছেন, দলে দলে লোক আসথেন রক্ত পরীক্ষা করতে। এই ভয়ঙ্কর পরিস্থিতির জন্য দায়ি বেরপরওয়া চিকিত্সকরা।বহু দিন ধরে পাকিস্তানকে এইচআইভি প্রবণ দেশ হিসেবে মনে করা হয়। তলে তলে এটি ছড়িয়ে পড়ছিল যৌন কর্মী ও ইঞ্জেকশনের মাধ্যমে। বর্তমানে এটি এসিয়ার দ্বিতীয় দেশে যেখান লাফিয়ে বাড়ছে এইডস।২০১৭ সালে পাকিস্তানে ২০,০০০ এইডস রোগীর সন্ধান পাওয়া যায়।

  • চীনের ‘বউ বাজারে’ ক্রমেই বাড়ছে পাকিস্তানি মেয়েদের কেনাবেচা, সংখ্যা লঘু মেয়েরাই বিক্রি হচ্ছে বউ বাজারে

    News Bazar24: চীনের ‘বউ বাজারে’ ক্রমেই বাড়ছে পাকিস্তানি মেয়েদের কেনাবেচা, যার মূল উদ্দেশ্য, বিয়ে করে মেয়েদের শশুর বাড়ি নয়, তাদের গন্তব্য স্থল হয়ে চলেছে পতিতালয় ।যদিও দিন কয়েক আগে নাটক দেখাতে এই চক্রের সঙ্গে জড়িত সন্দেহে ১২ জনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। বলা বাহুল্য, মানুষ পাচারের (human trafficking) অন্যতম পুরনো অথচ বর্তমান পন্থাই হল বিয়ে। বিয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়ে, অথবা বিয়ে করেই মহিলাদের অন্যত্র বেচে (trafficking of brides) দেওয়ার পরিচিত এই কায়দা প্রতিনিয়ত বেড়ে চলছে পাকিস্তানে। পাক কর্তৃপক্ষ ক্রমবর্ধমান এই মানব পাচারের তদন্তে নেমে একটি যৌনবৃত্তির চক্রের ১২ জন সন্দেহভাজন সদস্যকে গ্রেফতার করেছে বলে নাটক দেখানো দাবি করছে।খবরে প্রকাশ, এই দলের সদস্যরা পাক তরুণীদের চীনে পাচার করত। গ্রেফতার হওয়া এই ব্যক্তিদের মধ্যে আট জন চীনের নাগরিক ও চারজন পাকিস্তানের। পাকিস্তানের ফেডারেল ইনভেস্টিগেশন এজেন্সির (FIA) শীর্ষ কর্মকর্তা জামিল আহমেদ এর কথায়, “পাকিস্তানি নারীদের চীনে পাচার করে তাঁদের দিয়ে পতিতাবৃত্তির কাজ করানোর খবর আমাদের কানে আসার পরেই এই গ্যাংয়ের উপর নজর রাখছিলাম আমরা।" তিনি বলেন, বেশ কয়েকটি গ্যাং এই কাজ করে। প্রধানত পাকিস্তানি খ্রিস্টান সংখ্যালঘু মানুষই এদের লক্ষ্যবস্তু।তবে মুসলিম মেয়ে পাচার হবার কোনো খবর এখন পর্যন্ত নেই। হিউম্যান রাইটস ওয়াচ (Human Rights Watch) এক সপ্তাহ আগেই জানিয়েছিল, চীনের পাক নারীদের পাচারের সাম্প্রতিক রিপোর্ট যা, তাতে পাকিস্তানকে সতর্ক হওয়া উচিত। এর পরেই জারি হয় গ্রেফতারি পরোয়ানা। এটি আরও জানায়, কমপক্ষে পাঁচটি এশীয় দেশ থেকে চীনে ‘বউ' পাচারের ঘটনা ক্রমে বাড়ছে। সূত্রে প্রকাশ, গত সপ্তাহে ফয়সালাবাদ শহরের পূর্বদিকের একটি শহরে একটি বিয়ে অনুষ্ঠানে পুলিশ হানা দেয়। সেখানে একজন খ্রিস্টান মেয়ের বিয়ের অনুষ্ঠান ছিল । অনুষ্ঠানে চীনের একজন পুরুষ ও একজন মহিলাকে এবং একজন ভুয়ো পাদরিকে গ্রেপ্তার করা হয়। আহমেদ বলেন, “ওই গ্যাংয়ের সদস্যরা স্বীকার করেছে যে তারা কমপক্ষে ৩৬ জন পাকিস্তানী মেয়েকে চীনে পাঠিয়েছেন তাঁরা, চীনে তাঁদের পতিতাবৃত্তির জন্যই ব্যবহার করা হয়।” তিনি জানান, পূর্ব পাঞ্জাব প্রদেশের বিভিন্ন জেলাতেই এই খ্রিস্টানদের বসবাস।মূলত তাদেরকেই এই বিয়ে মোহে ফাঁসানো হচ্ছে। ।

  • ১০ লাখেরও বেশি মুসলমানকে আটকে রেখেছে চিন: বিস্ফোরক তথ্য আমেরিকার

    newsbazar24: ১০ লক্ষ্যেরও বেশি মুসলিম মানুষকে আটকে রেখেছে চিন। বন্দিশিবিরে তাঁদের আটকে রাখা হয়েছে। এমনটাই বিস্ফোরক অভিযোগ আমেরিকা। মার্কিন প্রতিরক্ষা মন্ত্রকের এশীয় নীতির দায়িত্বে থাকা র‌্যান্ডল শ্রীভল এমনটাই বিস্ফোরক মন্তব্য করেছেন। আর তাঁর এই মন্তব্যের কারণে চিন এবং আমেরিকার সম্পর্কে নতুন উত্তেজনা দেখা দিতে পারে বলে ধারনা করছেন পর্যবেক্ষকরা। তবে উইঘুরসহ অন্যান্য মুসলমানদের আটকে রাখার ওই বন্দিরশিবিরকে বৃত্তিমূলক শিক্ষাকেন্দ্র বলে ব্যাখ্যা করেছে কমিউনিস্ট বেজিং।বেজিংয়ের দাবি, মুসলমানদের উগ্রবাদী হুমকিকে নস্যাৎ করে দিতেই তারা বৃত্তিমূলক শিক্ষাকেন্দ্র তৈরি করেছে। পেন্টাগনে এক সংবাদ সম্মেলনে চিনের সামরিক বাহিনী নিয়ে বিস্তৃত আলোচনার সময় শ্রিভল বলেন, চিন কমিউনিস্ট পার্টি মুসলমানদের গণআটকের জন্য নিরাপত্তা বাহিনী ব্যবহার করছে। ১০ লাখ আটক বলা হলেও সত্যিকার অর্থে তারা ত্রিশ লাখ মুসলমানকে বন্দি রেখেছে বলে বিস্ফোরক মন্তব্য করেন।মার্কিন প্রতিরক্ষা মন্ত্রকের অসিস্ট্যান্ট সেক্রেটারির দায়িত্ব পালন করছেন শ্রিভল। তাঁর দাবি, বন্দিশিবিরে আটক থাকার পর বেরিয়ে আসা মুসলমানরা চিনের কমিউনিস্ট সরকারের বিরুদ্ধে মারাত্মক নির্যাতনের অভিযোগ তুলেছেন। অভিযোগ, বন্দিশিবিরে মুসলিমদের গাদাগাদি করে রাখা হয়। সেখানে তাদের প্রতি যে নিপীড়ন চালানো হয়, তাতে কেউ কেউ আত্মহত্যার দিকেও এগিয়ে যায় বলে মন্তব্য র‌্যান্ডল শ্রীভলের।প্রসঙ্গত চিনে মুসলিমদের উপর এমন অত্যাচারের ঘটনা নতুন কিছু নয়। সেখানে উইঘর মুসলিমদের আটকে রেখে নির্জাতন চালানো হয় বলে চাঞ্চল্যকর অভিযোগ উঠেছে বহুবার। কিন্তু আটকে রাখার কথা কখনও স্বীকার করে না লালচিন।-kolkata24x7

  • নরেন্দ্র মোদীকে কিছু পয়েন্ট ইচ্ছাকৃতভাবেই দিচ্ছে বেজিং : প্রাক্তন রাষ্ট্রদূত বিবেক কাটজু

    newsbazar24:  ২০০৯ সালে মাসুদ আজহারকে আন্তর্জাতিক জঙ্গি চিহ্নিত করতে সরব হয়েছিল ভারত। পাঠানকোট, উরি হামলার পর আদাজল খেয়ে ভারত নেমে পড়লেও চার বার ভিটো প্রয়োগ করে জল ঢেলে দেয় চিন। তবে, বুধবার তাদের ‘পদ্ধতিগত ত্রুটি’ শুধরে মাসুদকে আন্তর্জাতিক জঙ্গি তকমা দিতে রাজি হয়। আর এরপরই  কূটনীতিকরা চিনের এই পদক্ষেপকে ‘সুমতি’ বলেই ব্যাখ্যা করছেন। এই মুহূর্তে দক্ষিণ-এশিয়ার অন্যতম পরমাণু শক্তিধর রাষ্ট্র ভারত। জিডিপি-র নিরিখে তো বটেই, অস্ত্রভাণ্ডারের ক্ষমতাতেও প্রথম সারির দিকে রয়েছে এই একশো তিরিশ কোটির দেশটি। এই মুহূর্তে বিশ্বের দরবারে ভারতের যা অবস্থান, জলে নেমে কুমিরের সঙ্গে লড়ার চেয়ে সমীহ করাটাই প্রতিবেশী দেশের বেশি লাভজনক বলে মনে করছেন কূটনীতিকরা। অন্তত, বুধবার পাক মদত পুষ্ট মাসুদ আজহারকে রাষ্ট্রসঙ্ঘ আন্তর্জাতিক জঙ্গি ঘোষণা করার পর থেকেই এভাবেই কূটনীতিকরা ভারতের সপক্ষে সজোরে ব্যাট চালাচ্ছেন। কেন? প্রাক্তন রাষ্ট্রদূত বিবেক কাটজু বলছেন, ভারতের নির্বাচনের মাঝে চিনের মত বদল অত্যন্ত রাজনৈতিক। তাঁর মতে, নরেন্দ্র মোদীকে কিছু পয়েন্ট ইচ্ছাকৃতভাবেই দিচ্ছে বেজিং। যদি তিনি ফের ক্ষমতায় ফেরেন অথবা না-ও ফেরেন চিনকে কেউ দোষারোপ করতে পারবে না। ভারতে যে দলই ক্ষমতায় আসুক বাণিজ্যিক পরিসরে আগাম ঘোড়ার চাল দিয়ে রাখল বেজিং। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে শুল্কযুদ্ধে জড়িয়ে বড়সড় ধাক্কা খেয়েছে তাদের অর্থনীতি। বাধ্য হয়ে বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম অর্থনীতির দেশ চিনকে জিডিপি-র লক্ষ্যমাত্রা ৬.৫ শতাংশ কমিয়ে ৬ শতাংশে আনতে হয়। ২০১৬ সালে অক্টোবরের পর মার্কিন রফতানি এক ধাক্কায় ৩.৭ শতাংশ নেমেছে। এ পরিস্থিতে বাজার চাঙ্গা করতে ভারতকেই পাখির চোখ করে এগোতে চাইছে বেজিং। সম্প্রতি বেজিংয়ের আরও নরম মনোভাবপন্ন ইঙ্গিত মিলেছে, ওবরের মানচিত্রে কাশ্মীর এবং অরুণচলকে ভারতের অংশ বলে দেখানোয়। এর আগে অরুণাচলকে ভারতের অংশ তো দূর, ওই রাজ্যে প্রধানমন্ত্রীর পা পড়লে গোঁসা হত তাদের। অরুণাচলের একাংশকে বরাবরই দক্ষিণ তিব্বতের অংশ বলে দাবি করে চিন। পাশাপাশি পাক অধিকৃত কাশ্মীরকে ভারত-বহির্ভূত অংশ হিসাবেই দেখানো হয়। ২০১৭ সালে টানা ৭২ দিনের ডোকলাম ইস্যুতে তলানিতে নামে ভারত ও চিনের কূটনৈতিক সম্পর্ক। প্রধানমন্ত্রী, বিদেশমন্ত্রী-সহ দিল্লির একাধিক প্রতিনিধির সফরে সেই ক্ষতে প্রলেপ দিতে সক্ষম হয় নয়া দিল্লি।। এ ক্ষেত্রেও দক্ষতার সঙ্গে ভারত দূরদৃষ্টতার পরিচয় দিয়েছে বলে মনে করছেন কূটনীতিকরা। পাশাপাশি, কূলভূষণ যাদব বিষয়ে বিশ্বের দরবারে সাফল্যের সঙ্গে কূটনৈতিক পরিচয় দেখিয়েছে ভারত। বিশেষজ্ঞদের দাবি, দক্ষিণ এশিয়ায় কূটনৈতিক স্তরেও ভারত যথেষ্ট প্রভাব বিস্তার করতে পেরেছে। তা হাড়েহাড়ে অনুভব করছে বেজিং-ও।ভারতের ঘাড়ের ওপর দিয়ে চিন-পাকিস্তান অর্থনৈতিক করিডর তৈরি হয়েছে। পাক অধিকৃত কাশ্মীরের উপর দিয়ে সেই করিডর যাওয়ায় রাষ্ট্রসঙ্ঘে চিনের বিরুদ্ধে সরব হতে দেখা গেছে নয়া দিল্লিকে। আফগানিস্তান, শ্রীলঙ্কা-সহ ভারতের একাধিক প্রতিবেশী দেশ ওবরের অন্তভুক্তি করতে সক্ষম হয়েছে চিন। ভারতকেও সেই সারিতে রাখতে বেজিং মরিয়া প্রচেষ্টা চালাচ্ছে বলে দাবি কূটনীতিকদের।সন্ত্রাস হানায় ক্ষতিগ্রস্ত  বিশ্বের প্রায় সব দেশই। ওই একটি ইস্যুতে সহমত হয়ে এক ছাদের তলায় দাঁড়িয়েছে আমেরিকা, ফ্রান্স, ব্রিটেন-সহ ছোটো বড় প্রায় সব দেশ। পুলওয়ামা হামলার পর তাদের মন জয় করতে ভারতকে সে ভাবে পরিশ্রম করতে হয়নি। অন্য দিকে ‘সব আবহাওয়ার বন্ধু’ পাকিস্তানের পাশে দাঁড়াতে গিয়ে চিন কার্যত কোণঠাসা হয়ে পড়ে। রাষ্ট্রসঙ্ঘে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ক্রমাগত চাপ সৃষ্টি করায় বেজায় খাপ্পা বেজিং। কার্যত বাধ্য হয়েই বেজিংকে এই সিদ্ধান্ত নিতে হয় বলে মনে করছেন কূটনৈতিক বিশেষজ্ঞরা। তবে, একাংশের মত, ভারতের একচেটিয়া বাজার ধরে রাখতেই নয়া দিল্লিকে নয়া চাল দিয়ে রাখল চিন।

  • শ্রীলঙ্কার মানুষের পাশে রয়েছে ভারত, বললেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী

    newsbazar24: ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী টুইটে জানান, এই পৃথিবীতে এমন কোনও জায়গা নেই যে বর্বোরচিত সন্ত্রাসে আক্রান্ত হয়েছে। শ্রীলঙ্কার গির্জা ও হোটেলের বিস্ফোরণে কড়া সমালোচনা করেন । শ্রীলঙ্কার মানুষের পাশে রয়েছে ভারত। নিহতদের পরিবারের প্রতি সমবেদনা এবং আহতদের দ্রুত আরোগ্য কামনা করেন মোদী।আজ সকালে শ্রীলঙ্কার রাজধানী কলম্বোর সেন্ট অ্যান্টনি গির্জা, রাজধানীর বাইরে নেগম্বো শহরের সেন্ট সাবেস্টিয়ান-সহ আর একটি গির্জা বিস্ফোরণ হয়। পাশাপাশি আরও ৩টি হোটেলেও বিস্ফোরণ হয়। শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত ১৫৬ জনের মৃত্যুর খবর মিলেছে। কমপক্ষে ৪০০ জন হাসপাতালে চিকিত্সাধীন। এই ঘটনায় শ্রীলঙ্কার প্রেসিডেন্ট মৈত্রীপলা সিরিসেনা নাগরিকের উদ্দেশে বলেন, রীতিমতো স্তব্ধ আমি। দেশবাসীকে শান্ত ও ধৈর্য থাকার বার্তা দেন তিনি। এই ঘটনার কড়া সমালোচনা করেন শ্রীলঙ্কার প্রধানমন্ত্রী রনিল বিক্রমাসিঙ্ঘে। যে কোনও ষড়যন্ত্রমূলক খবর এবং গুজব এড়িয়ে যাওয়ার বার্তা দেন বিক্রমাসিঙ্ঘে।

  • প্যারিসে ১২শ শতাব্দীর ঐতিহাসিক ভবন নটরডেম ক্যাথিড্রাল এ ব্যাপক অগ্নিকান্ড

    UNI:১২শ শতাব্দীর ঐতিহাসিক ভবন নটরডেম ক্যাথিড্রাল এ ব্যাপক অগ্নিকান্ডের ঘটনা ঘটেছে। এতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। বিভিন্ন সংবাদ মাধ্যমের ফুটেজে দেখা গেছে সোমবার রাত পর্যন্ত আগুনের শিখা দাউ দাউ করে জ্বলতে। ক্যাথিড্রাল এর চূড়া ভেঙ্গে পড়াতে ছাদ থেকে আগুন আরোও অনিয়ন্ত্রিত ভাবে জ্বলতে থাকে। ফরাসি সংবাদ মাধ্যমকে এই ক্যাথিড্রাল এর মুখপাত্র বলেছেন, খুব সম্ভবত ভেতরের কাঠের যে অবকাঠামো রয়েছে, তা সম্পূর্ন ভাবে ধংস হয়ে গেছে। প্যারিস শহরের ডেপুটি মেয়র ইমানুয়েল গ্রিগোরি “বিএফএম টিভি”কে বলেছেন, কর্মচারীরা যথা সাধ্য চেষ্টা করে গেছে ক্যাথিড্রালের শিল্পকর্ম গুলোকে উদ্ধার করতে । ফরাসি পুলিশ বলেছে কারো হতাহত হবার খবর পাওয়া যায়নি এবং কিভাবে এর সূত্রপাত হোল তাও জানা যায়নি। তবে ফরাসি সংবাদ মাধ্যম বলেছে, উদ্ধার কর্মীদের মতে এই দালানটির সংস্কার এর যে কাজ চলছিল , তার সাথে এই অগ্নিকান্ডের সম্ভাব্য সংযোগ থাকতে পারে।

  • ভয়াবহ বিস্ফোরণ পাকিস্তানের হাজারাগঞ্জ সবজিমন্ডিতে ,মৃত ৪৮

    News Bazar24: কেঁপে উঠল পাকিস্তানের কোয়েটার এক সবজি বাজার। ওই বিস্ফোরণে এখনও পর্যন্ত কমপক্ষে মৃত্যু হয়েছে ১৬ জনের। আহত হয়েছেন বহু মানুষ।শুক্রবার সকাল সাড়ে সাতটা নাগাদ ওই ভয়াবহ বিস্ফোরণ হয় হাজারাগঞ্জ সবজিমন্ডিতে। বিস্ফোরণ ঘটনো হয়েছে আইডির সাহায্যে। সবজির মধ্যেই তা লুকিয়ে রাখা হয়েছিল বলে প্রাথমিক তদন্ত অনুমান। মৃতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে।কোয়েটার ডিআইজি আবদুল রাজ্জাক ওই ১৬ জনের মৃত্যুর খবর স্বীকার করেছেন। আহত হয়েছেন কমপক্ষে ৩০ জন। রাজ্জাক আরও জানিয়েছেন, বিস্ফোরণের ফলে কাছাকাছি কয়েকটি বাড়িরও ক্ষতি হয়েছে।

  • খারিজ হয়ে গেল নীরব মোদীর জামিনের আবেদন, মামলার পরবর্তী শুনানি ২৬ এপ্রিল

    newsbazar24:  লন্ডনের ওয়েস্ট মিনস্টার আদালতে খারিজ হয়ে গেল পিএনবি-র ১৩ হাজার কোটি টাকার ঋণখেলাপকারীর আবেদন। জামিন পেলেন না নীরব মোদী।২৬ এপ্রিল মামলার পরবর্তী শুনানি।ব্রিটেনের আদালতে ভারতের পক্ষের আইনজীবী জানান, গ্রেফতারি এড়াতে প্রত্যক্ষদর্শীদের হুমকি ও ঘুষ দেওয়ার চেষ্টা করেছেন নীরব মোদী। তার জামিনের বিরোধিতা করে একাধিক তথ্যপ্রমাণ জমা দেয় ইডি ও সিবিআই। লন্ডনের ক্রাউন প্রসিকিউশন সার্ভিসের হাতে সেগুলি তুলে দেন অফিসাররা। সিবিআই ও ইডি চাইছিল, যতদিন না নীরব মোদীকে ভারতের হাতে তুলে দেওয়া হচ্ছে, ততদিন যেন তিনি লন্ডনের জেলেই থাকেন। কারণ জামিন পেলেই ফের গা ঢাকা দেওয়ার আশঙ্কা থেকে যাচ্ছে। দিল্লি পাসপোর্ট বাতিল করার পরেও ব্রিটেনের বাইরে গিয়েছেন নীরব। এটাও তার বিরুদ্ধে বড়সড় হাতিয়ার করা হবে। এর আগেও একবার ওয়েস্ট মিনস্টার ম্যাজিস্ট্রেটের আদালতে জামিনের আর্জি করেন নীরব। কিন্তু, তা খারিজ হয়ে যায়।এদিকে শুনানি শুরু হতেই সরিয়ে দেওয়া হয় ইডির যুগ্ম অধিকর্তা সত্যব্রত কুমারকে। নীরবের জামিনের বিরোধিতা করতে ইডির যে দলটি লন্ডনে রয়েছে, তার অন্যতম সদস্য তিনি। সরকারিভাবে অবশ্য জানানো হয়েছে শুক্রবারই শেষ হয়েছে সত্যব্রত কুমারের মেয়াদ। তাঁর জায়গায় এলেন ইডির মুম্বই শাখার অতিরিক্ত অধিকর্তা।