সবার জন্য


  • আর বানাতে পারেন নানা স্বাদের সরবত।, জেনে নিন ফেলুন ড্রিঙ্ক বানানোর সহজ পদ্ধতি

    news bazar 24 : একমাত্র জল পারে সহজেই শরীরের হারানো আর্দ্রতা ফেরাতে। তার জন্য রোজের ডায়েটে থাকতে হবে মরশুমী ফল, সবজি। আর বানাতে পারেন নানা স্বাদের সরবত। যা একসঙ্গে যেমন ঝটপট পেট ভরিে দেবে আপনার তেমনি হজম হবে দ্রুত। আবার জলের ঘাটতিও মেটাবে। আজ রইল কিউই বানান মিন্ট ড্রিঙ্ক বানানোর সহজ পদ্ধতি   গরম (summer) মানেই প্রচণ্ড আর্দ্রতা, তাপ। মারাত্মক ঘাম (excessive sweating) আর তার থেকে শরীরে জলের অভাব (dehydrated)।  এই জলের অভাবেই আপনি ভুগবেন হজমের সমস্যায়। নিস্তেজ হয়ে পড়বে ত্বক, চুল। সেই জন্যেই ডাক্তারবাবু আর পুষ্টি বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ, গরম পড়লেই জল খান বেশি করে, কারণ, একমাত্র জল পারে সহজেই শরীরের হারানো আর্দ্রতা ফেরাতে। তার জন্য রোজের ডায়েটে থাকতে হবে মরশুমী ফল, সবজি। আর বানাতে পারেন নানা স্বাদের সরবত। যা একসঙ্গে যেমন ঝটপট পেট ভরিে দেবে আপনার তেমনি হজম হবে দ্রুত। আবার জলের ঘাটতিও মেটাবে। আজ রইল কিউই বানান মিন্ট ড্রিঙ্ক বানানোর সহজ পদ্ধতি---- একই সরবতে কিউই, কলা আর পুদিনা থাকায় এই বেভারেজটি যেমন স্বাদু তেমনি পুষ্টিগুণে ভরপুর   কিউই বানানা মিন্ট ড্রিঙ্ক -  উপকরণ -  কিউই ১টি কলা ১টি পুদিনা পাতা এক আঁটি দল আধ গ্লাস মধু আধ টেবিল চামচ বীজ (সূর্যমুখী,চিয়া, কুমড়ো, তিসি) কীভাবে বানাবেন -  প্রথম ধাপ - খোসা ছাড়িয়ে কিউই আর কলা ছোট টুকরোয় কেটে নিন। দ্বিতীয় ধাপ - পুদিনা পাতা ভালো করে ধুয়ে কুচিয়ে নিন। চাইলে, শুকোনো পুদিনা পাতাও ব্যবহার করতে পারেন। তৃতীয় ধাপ - ফল, পুদিনাপাতা আর মধু মিক্সিতে দিয়ে ব্লেন্ড করে নিন। চতুর্থ ধাপ - বীজ গুঁড়িয়ে দিয়ে দিন ব্লেন্ডারে।. পঞ্চম ধাপ - জল দিয়ে পুরোটা ভালো করে ব্লেন্ড করে নিন। ষষ্ঠ ধাপ - কিছুক্ষণ ফ্রিজে রেখে ঠাণ্ডা করে ওপরে বরফকুচি সাজিয়ে পরিবেশন করুন। কিউয়ের টক  আর কলার মিষ্টি স্বাদ মিলে জমিয়ে দেবে এই সরবত। প্লাস মধু দেবে বাড়তি পুষ্টিগুণ। এই সরবতের গুণেই গরম হার মানবে আপনার কাছে।

  • চুলের ডগা ফেটে ঝরে যাচ্ছে? মেনে চলুন রুজুতা দিওয়েকারের সহজ টিপস...............

     news bazar24:  অলরেডি মুম্বইতে ঢুকে গেছে বর্ষা (Monsoons)। যেকোনও দিন ঝাঁপিয়ে পড়বে এরাজ্যের বুকেও। বৃষ্টির জল পেয়ে গাছপালা ফের সবুজ, তরতাজা। অসহ্য গরমের হাত থেকে বাঁচবে সবাই। তার মধ্যে একটাই সমস্যা। সেটা চুলের। চ্যাটচেটে, আঠা হয়ে যাওয়া ছাড়াও এই মরশুমে ডগা ফেটে প্রচণ্ড ঝরে চুল। সেই সমস্যা থেকে রেহাই দিতেই আজ আপনাদের মুখোমুখি সেলেব পুষ্টি বিশেষজ্ঞ রুজুতা দিয়েকার (Rujuta Diwekar)। জানাচ্ছেন এই সমস্যার কীভাবে সমাধান করে বর্ষাকে উপভোগ করবেন হাসিমুখে----  চুলের যত্নে রুজুতার পরামর্শ  "বর্ষা মানেই চুলে বাউন্স নেই। যতই যত্ন নিন, চুল সারাক্ষণ নেতিয়ে। ভাবছেন কী করবেন? প্রকৃতির হাজারো উপকরণ আছে না! খুশ আর তুলসীর বীজ চুলের এই ধরনের সমস্যা মেটাতে সিদ্ধহস্ত। এবার তলা চওড়াওয়ালা একটা কাচের বোতল নিন। এতে কিছুটা করে খুশ, তুলসী আর গুঞ্জা বীজ বাটা রাখুন। এস সঙ্গে মেশান সর্ষের তেল বা নারকেল তেল। এভাবে ৪৮ ঘণ্টা রেখে দিন। ইচ্ছে হলে তারপর ছেঁকে নিতে পারেন।   গুঞ্জা বীজ আর তুলসী বর্ষায় চুলের সমস্যা মেটায় স্কাল্পের শুষ্কতা এড়াতে মাথায়, চুলে ভালো করে এই ঈষদুষ্ণ তেল মাসাজ করুন। সারা রাত রেখে দিন। পরের দিন সকালে শ্যাম্পু করে নিন। তেল মাসাজ করলে আর কন্ডিশনার (conditioner) মাখতে হবে না শ্যাম্পুর পর। একই সঙ্গে চুল শুকোন পাখার হাওয়ায়। যতই তাড়া থাকা, এডি়য়ে যান ব্লো ড্রায়ার (blow dryer)। রুজুতার দেওয়া এই তেল আর প্রাকৃতিক উপাদান ব্যবহার করলেই আপনার চুল ফের ক্রাউনিং গ্লোরি। উপকরণগুলি যেকোনও আয়ুর্বেদের দোকানে পাওয়া যাবে। তাহলে, টেনশন ছাড়াই উপভোগ করুন রিমঝিম বর্ষা। ভুলে যান চুলের সমস্যা! সতর্কীকরণ: এই নিবন্ধের জন্য এনডিটিভি কোনওভাবেই দায়ী নয়। ওপরে বলা পরামর্শ মানার আগে চিকিতসক বা পুষ্টি বিশেষজ্ঞের সঙ্গে পরামর্শ করে নিন। 

  • জানেন বিয়ের আগে সহবাস করলে নারীরা কি কি সমস্যায় ভোগেন ?

    newsbazar24: বিয়ের আগে একজন নারী প্রেমিক পুরুষের সাথে সহবাস করার ফলে তাঁকে নানানবিধ সমস্যায় পড়তে হয়।সমস্যাগুলি হল- ১) বিয়ের আগে শারীরিক সম্পর্ক করার ফলে মেয়েদের কুমারীত্ব নষ্ট হয়ে যায় এবং দাম্পত্য জীবনে এর প্রভাব পড়তে পারে। আমাদের সমাজ একজন নারীর কুমারীত্ব ও সতীত্ব খোঁজ করলেও পুরুষের বেলায় এমনটি ঘটে না। এবং একজন পুরুষ হাজারো নারীর জীবন নষ্ট করলে সে তাঁর স্ত্রীকে কুমারী ও সতী হিসেবে পেতে চায়। অপর দিকে পুরুষ হচ্ছে সুইয়ের মতো আর নারী হচ্ছে সেলাই করার কাপড়ের মতো। সুইয়ের আঘাতে প্রমাণ কাপড়ে থাকে কিন্তু সুই কাপড়ে আঘাত করলে বাহ্যিক ভাবে কোন প্রমাণ থাকে না। ইসলামে বিবাহের পূর্বে নারী পুরুষ যৌন সম্পর্ক স্থাপন করা হারাম এবং কবীরা গুনাহের কাজ। একাজে কেউ জড়িত হলে ইসলামের আইনে রয়েছে কঠোর শাস্তির বিধান।  ২) বিবাহের আগে একজন নারী শারীরিক সম্পর্কে যুক্ত হয়ে গেলে এবং তা প্রকাশিত হয়ে গেলে সমাজে তাঁর ইমেজ নষ্ট হয়। কলঙ্কিনী ও নিন্দা পোহাতে হয়। যা একজন পুরুষকে তেমন পোহাতে হয় না। আর তখন যাবতীয় দোষ একজন নারীর উপরে বর্তায়। পরিবার পরিজনদেরকে সামাজিক চাপে থাকতে হয় এমন কি কোন কোন এলাকায় গ্রাম্য মাতাব্বরেরা একঘরে করে দেয়। এবং পরবর্তীতে প্রতারণার শিকার হওয়া মেয়েটি অসতী বলে কেউ সহজে বিয়ে করতে রাজী হয় না। ৩) বিবাহের পূর্বে সহবাস করার ফলে অসতর্কতারবশত আপনি গর্ভবতী হয়ে যেতে পারেন। যদিও আপনি জন্ম প্রতিরোধ ব্যবস্থা গ্রহণ করেন। অনেক প্রেমিকই প্রেমিকার সাথে শারীরিক সম্পর্ক করে এবং এর ফলে প্রেমিকার পেটে সন্তান আসলে কথিত প্রেমিক সরে পরে নয়তো গর্ভের বাচ্ছাটিকে নষ্ট করার জন্য প্রেমিকার প্রতি চাপ প্রয়োগ করে। এরকম অসংখ্য ঘটনা বিদ্যমান আছে। এই গর্ভপাত করাতে গিয়ে একজন নারীর মৃত্যুও হতে পারে এবং পরবর্তীতে আর মা নাও হতে পারে। আর আপনাকে মানসিক ভাবে বিকারগ্রস্থ করতে পারে। ৪) বিবাহের পূর্বে শারীরিক সম্পর্ক স্থাপন করার ফলে কোন নারী যদি গর্ভবতী হয় এবং গর্ভের বাচ্চাটিকে যদি নষ্টতে করতে গর্ভপাত করানো হয় তাহলে এটি হবে হত্যাকান্ড । যাকে বলে একটি অপরাধ আড়াল করতে আরো একটি বড় অপরাধ করা। গর্ভপাত করানোর মাধ্যমে এমন একটি নিষ্পাপ প্রাণকে হত্যা করা হচ্ছে যে এখনো পৃথিবীর আলো-বাতাসের স্পর্শে আসেনি। এমন জঘন্যতম অপরাধ যা বর্বর জাহেলী যুগেও করা হয়নি।  অতএব, বিবাহের পূর্বে শারীরিক সম্পর্ক করা থেকে বিরত থাকুন, এটি আপনার সতীত্ব, কুমারীত্ব রক্ষা সহ আরো অনেক সামাজিক ক্ষতিসাধন হতে রক্ষা করবে।

  • লাজুক ও নার্ভাস ছেলেদের জন্য প্রেম করার টিপস

    newsbazar24: পৃথিবীতে লাজুক বা মুখচোরা ছেলে কিন্তু একেবারেই কম নেই বরং অল্প বয়সে মেয়েদের সাথে কথা বলতে বা মিশতে গেলে বেশিরভাগ ছেলেই খুব নার্ভাস অনুভব করেন। চোখে চোখ রেখে কথা বলতে না পারা, এলোমেলো কথা বলে ফেলা, হাত পা কাঁপা, ঘন ঘন ঘামতে থাকা ইত্যাদি অনেক রকম উপসর্গই দেখা দেয় অনেকের মাঝে। ফলে একজন প্রেমিকা খুঁজে পাওয়া যেন রীতিমত কঠিন একটি কাজে পরিণত হয়। অনেকে তো মেয়ে বন্ধুও তৈরি করতে পারেন না। এমনই লাজুক ও নার্ভাস ধরণের ছেলেদের জন্য প্রেম করার কার্যকরী টিপস! ১) মেয়েদের সাথে বাস্তবে কথা বলতে গেলে খুবই নার্ভাস লাগে? বুঝে পান না যে কী কথা বলবেন আর কীভাবে বলবেন? বাস্তবে কথা বলার দরকার নেই, বন্ধুত্ব পাতিয়ে ফেলুন ইন্টারনেটে। গল্প করুন, আড্ডা দিন, যা যা বলতে ইচ্ছা করে বলুন। এটা ইন্টারনেট, তিনি আপনাকে খেয়ে ফেলবেন না। চ্যাট থেকে আস্তে আস্তে ভিডিও চ্যাটে যান, এতে জড়তা কাটবে। তারপর না হয় মুখোমুখি দেখা করুন। ২) নিজের চেহারার দিকে বাড়তি মনযোগ দিন। নিজেকে পোশাক-আশাক ও চলন বলনে স্মার্ট করে তুলুন। যত স্মার্ট হয়ে উঠবেন, লাজুক ও নার্ভাস ভাবটি তত কমে যাবে। ৩) আয়নার সামনে দাঁড়িয়ে নিজে নিজে কথা বলে অভ্যাস করুন। ধরে নেবেন যে সামনে একজন নারী আছেন কিংবা আপনার পছন্দের মেয়েটি। তাঁকে কল্পনা করে বারবার রিহারসেল করুন যে কী বলবেন আর কীভাবে বলবেন। ৪) মেয়েদের সামনে গেলে মাথা এলোমেলো হয়ে যায়? কিছুই ঠিকমত বলতে পারেন না? মনের কথা সুন্দর করে বলার জন্য আশ্রয় নিন চিঠি বা ই-মেইলের। ৫) ডেটিং করতে গেলে খুবই নার্ভাস লাগে? যেহেতু আপনি মুখচোরা ধরণের, সেহেতু এমন জায়গায় ডেটিং করতে যান যেখানে মানুষ কম। একটা ছিমছাম রেস্তরাঁয় মুখোমুখি দুজনে বসলে বেশ লাগবে। ৬)দেখা হলে বুঝে পান না কীভাবে কথা শুরু করবেন? খুব সাধারণ একটি কথা বলুন- “তোমাকে আজ খুব সুন্দর লাগছে বা এই পোশাকটি তোমাকে খুব মানিয়েছে”। এই ধরণের প্রশংসায় যে কোন নারীরই মন দ্রবীভূত হয়ে যাবে। তাঁকে খুশি করার জন্য আপনাকে খুবই বেশি চেষ্টা করতে হবে না।  ৭) তার সামনে গেলেই নার্ভাস হয়ে যান, জড়সড় হয়ে যান, কথা খুঁজে পান না বলার মতন? ডেটিং করতে গিয়ে তাঁকে বলতে দিন। মেয়েরা এমনিতেই কথা বলতে বেশ ভালোবাসে। বলতে না পারলে একজন ভালো স্রতা হয়ে উঠুন। তাঁকে তাঁর জীবনের ব্যাপারে প্রশ্ন করতে পারেন। তাঁর কথার জের ধরে নানা রকম প্রশংসা সূচক কথাও বলতে পারেন।

  • আপনি কি প্রেমে পড়েছেন? তাহলে জেনে নিন প্রপোজ করার নানান ধরন

    newsbazar24: প্রপোজ করার নানান ধরনঃ propose করবেন কি ভাবে নিজেই নির্বাচন করুন...!!!!.  ১) ব্ল্যাক মেইল স্টাইলঃ আমি তোমাকে ভালবাসি।তুমি হ্যাঁ বললে তো ভালো। কিন্তু না বললে তখন অন্য মেয়ে খুঁজতে হবে। আর সেটা তোমার বোন ও হতে পারে...!!  ২). ডাইরেক্ট স্টাইলঃ শোনো মেয়ে,আমি কোনো রকম ভূমিকা-টূমিকা না করে একেবারে সোজাসুজি আমি তোমাকে ভালোবাসি...!!  ৩). মাস্তানি স্টাইলঃ ওই মাইয়া,ভালবাসা দিবি কি-না, বল! (চাকু/বন্দুক দেখিয়ে)  ৪).যুক্তিবাদী স্টাইলঃ আমি তোমার ছোট ভাইকে ভালোবাসি। তোমার ছোটভাই তোমাকে ভালোবাসে। অতএব,যুক্তিবিদ্যার নিয়মে কি হয়? বাকিটা তুমিই বল...!!  ৫). চালাক স্টাইলঃ তুমি কি জানো,আমাদের জাতীয় সংগীতের দ্বিতীয় লাইনটা কি??  ৬). রসিক স্টাইলঃ Excuse me! আমি তোমাকে প্রপোজ করতে চাই। please অনুমতি দাও...!!  ৭). হিজড়া স্টাইলঃ এই দুষ্টু মেয়ে।তুমি একি জাদু করলা?তোমাকে দেখলে আমার হার্টবিট বেড়ে যায়। আবার তোমাকে না দেখলে অস্থিরতা , তুমি কি জানো?আমি তোমাকে অনেননননননননন….ক  ৮). ডিজুস স্টাইলঃ Hi,whats up sweetheart ? , wanna be maalavaa,actually I am in love with u !  ৯).ভীতু স্টাইলঃ ইয়ে মানে!!ইয়ে মানে !!!আমি মানে !আমি মানে তোমাকে ,......। ( আর বলা হয় না )  ১০). গায়ক স্টাইলঃ গানের গলা ভালো হলে একটা গান গেয়ে বলতে পারেন… “এত ভেবে কি হবে?ভেবে কি করেছে কে কবে?ভাবছি না আর,যা হবে হবার। এত দিন বলিনি,তুমি জানতো আমি এমনি……ভালবাসি !! ” ১১). দেবদাস স্টাইলঃ কেউ আমাকে ভালবাসে না। এ জীবন আমি রাখব না।তোমার কাছে বিষ হবে? আমায় বিষ দাও।আমায় বিষ দাও। (কান্নায়ভেঙ্গেপড়ুন)  ১২). কাব্যিক স্টাইলঃ কবি কবি ভাব থাকলে ২ লাইন কবিতার মাধ্যমে প্রপোজ করতে পারেন !!  ১৩). অনুভূতিহীন স্টাইলঃ তোমাকে আমার খুব পছন্দ হয়েছে। এখন তুমি আমাকে পছন্দ না করলেও আমি পাঁচতলা থেকে লাফ দিবো না, বিষ খেয়েও মরবো না।যদি আমাকে তোমার পছন্দ হয়, তাহলে বল।  ১৪).এডমিনের স্টাইলঃ প্রতিটা মানুষ প্রেমে পরে আমিও তোমার প্রেমে পরেছি এইটা কি আমার অপরাধ? আমাকে তোমার ভালবাশা লাগবে না।আমার সাথে প্রেম করা লাগবে না। শুধু মনে রাখবে কেও একজন তোমার অপেক্ষাই থাকবে। যদি মন কাদে তুমি চলে এসো.....!

  • কোন লক্ষণগুলোতে বুঝবেন মেয়েটি আপনার প্রেমে পড়েছে কিনা ?

    newsbazar24: ছেলেরা প্রেমের কথা সহজে প্রকাশ করলেও মেয়েরা তা প্রকাশ করে না। ছেলেদের আচরণ দেখলেই বোঝা যায়।  তবে ছোট ছোট কিছু লক্ষণ আছে, যা দেখে বুঝতে পারবেন মেয়েটিও আপনার প্রেমে পড়েছে। জেনে নিন সেই লক্ষণগুলো কি কি- ১.  প্রথম কবে দেখা হয়েছে, প্রথম দুজনে কী কথা বলেছেন সবগুলোই তার মনে আছে। আর এগুলো সে বারবারই আপনার সঙ্গে বলতে থাকে। এমনকি আপনার দেওয়া প্রথম কোনো উপহার সে এখনো যত্ন করে রেখেছে। এগুলো থেকেই বোঝা যায় মেয়েটি আপনাকে কতটা ভালোবাসে। ২. আপনি খুব সাধারণ কিছু একটা করলেও মেয়েটি আবেগ আপ্লুত হয়ে পড়ে। এমনকি ইচ্ছে করেই সে তার আবেগ আপনার প্রতি প্রকাশ করে, যাতে আপনি বুঝতে পারেন আপনার প্রতি সে কতটা দুর্বল। ৩. আপনার শত্রু মানে তারও শত্রু। যখন কোনো কারণ ছাড়াই আপনার শত্রুকে মেয়েটিও অপছন্দ করতে শুরু করে, যখন দেখবেন, শুধু আপনি তাকে পছন্দ করেন না বলে সেও তাকে ঘৃণা করতে শুরু করেছে, তখন বুঝবেন ঠিক সে আপনার প্রেমে পড়েছে। ৪. আপনার সঙ্গে দেখা হওয়ার কোনো সুযোগই মেয়েটি হাতছাড়া করতে চায় না। যত ঝামেলাই থাকুক না কেন ঠিক সে কোনো না কোনো উপায় খুঁজে বের করে। আর মেয়েটিও চায় আপনি ঠিক এমনটাই করেন। ৫. যত সমস্যাই হোক না কেন সবার আগে মেয়েটি আপনাকে বলার চেষ্টা করে। হয়তো আপনি কোনো সমাধানই দিতে পারেন না, তবুও সে আপনাকে বলে শান্তি পায়। ৬. আপনি ফোন ধরতে দেরি করলে কিংবা ম্যাসেজ করতে দেরি করলে মেয়েটি যদি অস্থির হয়ে নিজেই ফোন করে বসে কিংবা একের পর এক ম্যাসেজ দিয়েই যায় তাহলে বুঝে নিবেন সে আপনার প্রেমে হাবুডুবু খাচ্ছে। ৭.  মেয়েটি কেমন জীবনসঙ্গী চায় সেই বিষয়গুলো যদি বারবারই আপনাকে বলে এবং আপনার কাছ থেকে কোনো উত্তর সে আশা করে তাহলে বুঝবেন সে আপনাকে বোঝাতে চাচ্ছে যে, তার আপনার মতোই সঙ্গী প্রয়োজন। ৮.  মেয়েটি আপনার সম্বন্ধে সবই জানে। আপনার কী ভালো লাগে, কী অপছন্দ, কোন খাবার পছন্দ, কিসে বিরক্ত হন সবই সে জানে। এটাই তার প্রেমে পড়ার অনেক বড় একটা লক্ষণ। ৯. আপনি অনেক আনন্দে থাকলেও মেয়েটি বুঝতে পারে আবার খুব কষ্টে থাকলেও সে বুঝতে পারে। আপনার সব আচরণ মেয়েটি যখন আয়ত্ব করে ফেলছে, আর আপনিও তার কাছে কিছু লুকিয়ে রাখতে পারছেন না, বুঝবেন সে প্রেমে পড়েছে। ১০. অন্য কোনো মেয়ের সঙ্গে কথা বললে কিংবা কোনো মেয়ের বিষয়ে তার সঙ্গে আলোচনা করলে মেয়েটি খুবই বিরক্ত হয়। আর সে চায় আপনি যেন বুঝতে পারেন সে এগুলো পছন্দ করে না।

  • জেনে নিন দুই সপ্তাহে ত্বক ফর্সা করার ৫টি দারুণ টিপস

    newsbazar24: প্রাকৃতিকভাবেই ত্বকের রঙ ফর্সা করার ৫টি দারুণ ফেসপ্যাকের কথা। না, রাতারাতি দুধে আলতা হয়ে যাবেন না। তবে ত্বকের রং কয়েক শেড পর্যন্ত ফর্সা হবে, ফুটে উঠবে আপনার ত্বকের আসল সৌন্দর্য। সাথে দূর হবে ব্রণ এবং অন্যান্য ত্বকের সমস্যাও। মাত্র দুই সপ্তাহেই দেখতে পাবেন পার্থক্য! গায়ের রঙটা একটু ফর্সা করতে আমাদের সকলেরই যেন চেষ্টার কমতি নেই। আর কেনই বা হবে না? প্রতিদিন রোদে পুড়ে বৃষ্টিতে ভিজে ক্রমশ নষ্ট হয়ে যাচ্ছে সৌন্দর্য, নষ্ট হয়ে যাচ্ছে ত্বকের স্বাভাবিক রং। আজ রইলো ত্বকের রং ফর্সা করার প্রাকৃতিক, কিন্তু অব্যর্থ কিছু উপায় যা আপনি অবলম্বন করতে পারবেন বাড়িতে বসেই।  ফেসপ্যাক-১: মসুর ডাল গুঁড়ো করে নিন মিহি করে। তার মধ্যে ডিমের হলুদ অংশটা মেশান। রোদের মধ্যে এই পেস্টটা শুকিয়ে নিন ভালো করে। একদম মচমচে হয়ে গেলে গুঁড়ো করে শিশির মধ্যে ভরে রেখে দিন। প্রতিদিন রাতে ঘুমানোর আগে ২ ফোটা লেবুর রসের সঙ্গে ১ চামচ দুধ ও এই গুঁড়ো খানিকটা মিশিয়ে পেস্ট তৈরি করে মুখে লাগান। আধ ঘন্টা রাখার পরে মুখটা ধুয়ে ফেলুন। মুখ ধোয়ার পর কাঁচা দুধ খানিকটা তুলোতে নিয়ে মুখে বুলিয়ে নিন। আরও ২০ মিনিট রেখে ধুয়ে ফেলুন।    ফেসপ্যাক-২: তিল বেটে নিন অথবা গুঁড়ো করে নিন। এতে সামান্য জল মিশিয়ে ভালো করে চটকে নিন। এবার ছেঁকে নিন। ছাঁকার পর একটা সাদা রঙের তরল পাবেন সেটা মুখে লাগান, বিশেষ করে রোদে পোড়া জায়গায়। আধা ঘণ্টা পর ভালো করে ধুয়ে ফেলুন। অচিরেই ত্বকের রঙ ফিরে পাবেন। ফেসপ্যাক-৩: ত্বকের রং আরও ফর্সা করার জন্য টক দই লাগান মুখে। যাদের ত্বক শুষ্ক তাঁরা মধু ও দই মিশিয়ে নিন। মিনিট বিশেক রাখুন মুখে, তারপরে ধুয়ে ফেলুন। সপ্তাহে অন্তত তিন দিন এরকম লাগাতে হবে। ফেসপ্যাক-৪: তৈলাক্ত ত্বক উজ্জ্বল করতে মুলতানি মাটি, থেঁতো করা পদ্মপাপড়ি ও নিমপাতা বাটা এবং চালের গুঁড়ো মিশিয়ে ফেসপ্যাক তৈরি করুন। মুখে-গলায় লাগিয়ে রাখুন। ২০ মিনিট পর ধুয়ে ফেলুন। ধুয়ে ফেলার পর মুখে কাঁচা দুধ লাগিয়ে রাখুন আরও আধা ঘণ্টা। ফেসপ্যাক-৫: আলুর রস ও কাঁচা দুধ মিশিয়ে ফেসপ্যাক তৈরি করুন। সাথে দিন চন্দনের গুঁড়ো। দিনে ২বার এই মিশ্রণ মুখে লাগিয়ে রাখুন ২০ মিনিট করে। দ্রুত রঙ উজ্জল হবে। চন্দন না দিলেও সমস্যা নেই। এগুলো থেকে যে কোন একটি উপায় বেছে নিন। এবং অবলম্বন করুন। নাম্বার ৫ ছাড়া বাকি যে কোন প্যাক ব্যবহার করলে দিনে দুবার কাঁচা দুধ মুখে লাগিয়ে রাখবেন। ২০ মিনিট পর ধুয়ে ফেলবেন। এতে দ্রুত ফল পাবেন। 

  • যৌন মিলনে প্রেগনেন্সির ভয় ? জেনে নিন উপায়

    newsbazar24: যৌন মিলনে প্রেগনেন্সির ভয় ? আর প্রেগনেন্সির হাত থেকে বাঁচতে পিল খাচ্ছেন।সাবধান ! বড়ো বিপদের মউখে পড়তে পারেন। তাই নিয়মিত পিল খাওয়া ছাড়াও আরও বেশ কিছু পদ্ধতি রয়েছে আপনাদের জন্য যার মাধ্যমে গর্ভধারণ এড়ানো সম্ভব। নীচে রইল তেমনই কিছু টিপস-     ১) গর্ভনিরোধক জেলঃ মেয়েদের জন্য বেশ কিছু গর্ভনিরোধক জেল বা ফোম রয়েছে। কন্ডমের পাশাপাশি এগুলো ব্যবহার করলে গর্ভধারণের সম্ভাবনা ৯৯ শতাংশ এড়ানো সম্ভব। নজ্‌ল বা প্লাস্টিক অ্যাপ্লিকেটরে পাওয়া যায় এই ‘স্পার্মিসাইড’গুলি। ছোট ট্যাবলেটের মতো দেখতে এই অ্যাপ্লিকেটর ইন্টারকোর্সের অন্ততপক্ষে ৫ মিনিট আগে যোনির অনেকটা ভিতরে পুশ করতে হয়। শরীরী উত্তেজনার ফলে অ্যাপ্লিকেটরটি গলে গিয়ে জেলটি বেরিয়ে আসে ও একটি আবরণ তৈরি করে। স্পার্ম এই তরলের সংস্পর্শে এলে নষ্ট হয়ে যায়। চিকিৎসকের পরামর্শ নিয়ে তবেই এই ধরনের অ্যাপ্লিকেটর ব্যবহার করা উচিত। এর কোনও সাইড এফেক্ট নেই এবং এতে যৌন উত্তেজনা বা তৃপ্তিতে কোনও প্রভাব পড়ে না। ২) উইথড্রয়ালের ঝুঁকিঃ ইজ্যাকুলেশনের আগে পুরুষাঙ্গ যোনির ভিতর থেকে বের করে নেওয়াকেই মনে‌ করা হয় গর্ভধারণ এড়িয়ে চলার সবচেয়ে কার্যকরী পদ্ধতি। কিন্তু এতেও সম্ভাবনা থেকেই যায় কারণ ইজ্যাকুলেশনের আগে পুরুষাঙ্গ থেকে যে রস নিঃসৃত হয়, তার মধ্যে অনেক সময় স্পার্ম থেকে যায়। তা ছাড়া সম্পূর্ণ উইথড্র করার আগেই ইজ্যাকুলেশন শুরু হয়ে যেতে পারে। ঝুঁকি না নেওয়াই ভাল। ৩) হাত নয়ঃ প্রি-ইজাকুলেশন নিঃসরণের পর যদি পুরুষাঙ্গে হাত দিয়ে থাকেন, একটি টিস্যু পেপারে হাত মুছে তবেই কন্ডম পরা উচিত। ওই নিঃসরণে স্পার্ম থাকতে পারে এবং কন্ডোমের বাইরের অংশে ওই নিঃসৃত রস যদি কোনওভাবে লেগে যায় তবে ইন্টারকোর্সের সময়ে কন্ডোম পরে থাকলেও গর্ভধারণের সম্ভাবনা উড়িয়ে দেওয়া যায় না। ৪)  আইইউডিঃ এটি হল এক ধরনের ডিভাইস যা ইউটেরাসে স্থাপন করতে হয়। এর মধ্যেও একটি বিশেষ ধরনের হরমোন থাকে যা স্পার্ম নষ্ট করে দেয় ও গর্ভধারণ আটকায়। কপার-টি থাকলে পিরিয়ড্‌সের উপর কোনও প্রভাব পড়ে না। ৫) পিরিয়ডে কন্ডমঃ মেয়েদের পিরিয়ড চলাকালীন অনেকেই কন্ডম ব্যবহার না করেই সেক্স করেন। কারণ প্রচলিত ধারণা হল, মাসের ওই সময়টিতে গর্ভধারণের কোনও সম্ভাবনা নেই। আদতে কিন্তু সম্ভাবনা একটা থেকেই যায়। তা ছাড়া পিরিয়ডের সময়ে কন্ডম ছাড়া সেক্স করলে নানা ধরনের ইনফেকশনও হতে পারে পুরুষাঙ্গে। ৬) গর্ভনিরোধক রিংঃ চিকিৎসকের পরামর্শ নিয়ে যদি যোনির ভিতরে গর্ভনিরোধক রিং স্থাপন করা যায় তবে ৩ সপ্তাহ পর্যন্ত গর্ভধারণের কোনও সম্ভাবনা থাকে না। প্রতিটি পিরিয়ডের পর একটি করে নতুন রিং স্থাপন করতে হয়। ইন্টারকোর্সের সময় একটি বিশেষ হরমোন নিঃসৃত হয় এই রিংগুলি থেকে যা স্পার্মকে অক্ষম করে দেয়। এই রিং অনেকটা অ্যাপ্লিকেটরের মতোই। মেয়েরাই যোনির ভিতরে পুশ করতে পারেন। ৭) গর্ভনিরোধক ইঞ্জেকশনঃ বাজারে কিছু  ইঞ্জেকশন পাওয়া যায় যা গর্ভনিরোধক পিলের পরিবর্তে  ৯৯ শতাংশ বেশি কার্যকর। একটি ইঞ্জেকশন নিলে ৩ মাস পর্যন্ত গর্ভধারণ আটকানো যায় তবে এই ৩ মাসে পিরিয়ড্‌স হবে না। এই ইঞ্জেকশন নিতে হয় নিতম্বে বা বাহুতে।   ৮) গর্ভনিরোধক প্যাচঃ এটি পরতে হয় বাহুতে। ত্বকের রঙের এই প্যাচটি বিশেষ হরমোন নিঃসরণ ঘটায় যা ত্বকের মধ্য দিয়ে শরীরে প্রবেশ করে। একটি প্যাচ এক সপ্তাহ পর্যন্ত কাজ দেয়। একটি মাসের মধ্যে পিরিয়ড্‌সের সপ্তাহটি বাদ দিয়ে বাকি ৩ সপ্তাহ পরতে হয় এই প্যাচ। তবে চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া এই প্যাচ কখনোই পরা উচিত নয় কারণ এতে শরীরে ইস্ট্রোজেনের পরিমাণ বেড়ে যেতে পারে। একই রকম ভাবে কাজ করে গর্ভনিরোধক ইমপ্লান্ট। এটি বাহুতে সার্জারির মাধ্যমে লাগাতে হয়। একবার সার্জারির পর ৩ বছর গর্ভধারণের সম্ভাবনা থাকে না। ৯)সংস্পর্শ এড়িয়ে চলুনঃ কন্ডম না-পরা অবস্থায় পুরুষাঙ্গকে যোনির সংস্পর্শে আনা উচিত নয়। প্রি-ইজাকুলেশন নিঃসরণে স্পার্ম থাকার সম্ভাবনা থাকে। স্পার্ম হল এমনই এক ধরনের জীবকোষ যা নিঃসরণের পর ৫ দিন পর্যন্ত জীবিত থাকতে পারে এবং যোনিরসের সংস্পর্শে এলে সেই রসের মধ্যে দিয়ে পৌঁছে যেতে পারে ডিম্বাশয়ে।   ("গর্ভনিরোধক জেল, প্যাচ, ইঞ্জেকশন এবং আইইউডির ক্ষেত্রে চিকিৎসকের পরামর্শ নিয়ে নিন") 

  • পরলোকে বিশিষ্ট অভিনেত্রী এবং সঙ্গীত শিল্পী রুমা গুহ ঠাকুরতা

    Newsbazar 24 ডেস্ক, ৩রা জুনঃ পরলোকে  রুমা গুহ ঠাকুরতা । মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৮৪ বছর। আজ সকালে কলকাতায় নিজের বাড়িতেই শেষ নিঃশ্বাস  ত্যাগ করেন তিনি। ১৯৩৪ সালে কলকাতায় জন্ম এই বিশিষ্ট অভিনেত্রী এবং সঙ্গীত শিল্পীর। তার  মা সতীদেবী সেকালের বিখ্যাত গায়িকা। যদিও তাঁর ছোটবেলা কেটেছে আলমোড়া আর মুম্বইতে। মাত্র ১০ বছর বয়সে বম্বে টকিজের হিন্দি ছবি জোয়ার-ভাঁটা দিয়ে অভিনয় শুরু রুমার। ১৯৫১ সালে তার বিয়ে হয়  প্রথিতযশা কণ্ঠশিল্পী কিশোরকুমারের সাথে । কিশোর-রুমার সন্তান বিখ্যাত সঙ্গীত শিল্পী অমিত কুমার। ১৯৫৮ সালে  কিশোরের সঙ্গে বিয়ে ভেঙে গেলে রুমা দেবী চলে আসেন কলকাতায়। ওই বছরেই প্রতিষ্ঠা করেন ক্যালকাটা উয়ুথ কয়্যারের । এরপরে তাঁর বিয়ে হয় পরিচালক অরুপ গুহ ঠাকুরতার সঙ্গে। অরুপ-রুমার দুই সন্তান অয়ন এবং শ্রমণা গুহ ঠাকুরতা। কিংবদন্তি পরিচালক সত্যজিত রায়  ছিলেন তাঁর মামা। আজ সন্ধ্যায় কলকাতায় তাঁর শেষকৃত্য সম্পন্ন হল । সংবাদ সংস্থা সূত্রে জানা যায়  খবর পাওয়ার পরেই শোকে ভেঙে পড়েন বড় ছেলে অমিত কুমার। মায়ের শেষকৃত্যে যোগ দিতে ইতিমধ্যেই তিনি এসে পৌঁছেছেন কলকাতায়।  শোক প্রকাশ করেছেন রুমা দেবীর মামাতো ভাই বিশিষ্ট পরিচালক সন্দীপ রায়। তিনি জানান, শোক জানানোর ভাষা নেই এই মুহূর্তে। ছোট থেকেই দিদির সঙ্গে একসঙ্গে বড় হয়েছেন তিনি। দিদা সতীদেবীর গানই দিদিকে গানের দুনিয়ায় আসতে অনুপ্রাণিত করেছে। পরে অভিনয় জগতেও স্বকীয়তায় জনপ্রিয় হন রুমা। রুমা গুহ ঠাকুরতার মৃত্যুতে ট্যুইটে শোকবার্তা জানিয়ে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়  বলেছেন , বিশিষ্ট গায়িকা ও অভিনেত্রী রুমা গুহ ঠাকুরতার  মৃত্যুতে আমি গভীর শোকাহত । ৮৪ বছর বয়সে কলকাতায় নিজের বাড়িতে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। ক্যালকাটা ইয়ুথ কয়্যারের স্রষ্টা রুমাদেবীর গাওয়া বহু গান আজও শ্রোতাদের স্মৃতিতে অম্লান। পাশাপাশি তিনি বহু বাংলা ছবিতে অভিনয় করেছেন। তাঁর মৃত্যুতে সঙ্গীত ও অভিনয় জগতের এক অপূরীয় ক্ষতি হল। ২০১৩-য় পশ্চিমবঙ্গ সরকার তাঁকে 'সঙ্গীত সম্মান' প্রদান করেন। রুমা গুহ ঠাকুরতার সঙ্গে আমার দীর্ঘদিনের নিবিড় সম্পর্ক। তাঁর পরিবার, পরিজন ও অনুরাগীদের আন্তরিক সমবেদনা জানাচ্ছি।  

  • টেকনোথলন এখন এমন একটি ইভেন্ট হয়ে উঠেছে যা একটি ছাত্রের উদ্ভাবন এবং সৃজনশীলতা প্রকাশ করার জন্য একটি সক্ষম প্ল্যাটফর্ম

     ডেস্ক ঃ কারিগরি এক্সপোজার এবং বর্তমান বিদ্যালয়ের ছাত্রদের সত্যিকারের অনুপ্রেরণার সত্যিকারের প্রয়োজনীয়তা মাথায় রেখে আইআইটি গুহাটির শিক্ষার্থী ছাত্র-বন্ধুরা ‘’টেকনোথন-ইন্টারন্যাশনাল স্কুল চ্যাম্পিয়নশিপ’’কে তাদের বার্ষিক প্রযুক্তি-ম্যানেজমেন্ট ফেস্টিভাল টেকনিকের  একটা অংশ হিসাবে আয়োজিত করে।   বলা বাহুল্য, টেকনোথলন এখন এমন একটি ইভেন্ট হয়ে উঠেছে যা একটি ছাত্রের উদ্ভাবন এবং সৃজনশীলতা প্রকাশ করার জন্য একটি সক্ষম প্ল্যাটফর্ম হিসাবে কাজ করে চলেছে।  প্রযুক্তি-ম্যানেজমেন্ট ফেস্টিভাল ,দুই ধাপে পরিচালিত - প্রিমিমস এবং মেনস, টেকনোথলন ‘১৮’ সারা দেশে ৫০০ টিরও বেশি কেন্দ্রে ব্যাপক ভাবে অংশগ্রহণ করে চলেছে।এই কেন্দ্রের শিক্ষার্থীদের ২ টি স্কোয়াডে বিভক্ত করা হয়েছে: জুনিয়র স্কোয়াড - ৯ তম এবং ১০ ম শ্রেণির শিক্ষার্থী এবং হাউস স্কোয়াড - ১১তম এবং ১২ ম শ্রেণির শিক্ষার্থী, যাদের আইআইটি গুহাটি শিক্ষার্থীদের দ্বারা পৃথক প্রশ্নপত্র পাওয়া  দেওয়া হয়।এই প্রশ্ন পত্রের কাগজ অন্য কোন প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার থেকে সম্পূর্ণ ভিন্ন; যুক্তিবিদ্যা, বিশ্লেষণাত্মক ক্ষমতা এবং বাস্তব পর্যবেক্ষণ এবং কোন একাডেমিক পাঠক্রম জড়িত উপর ভিত্তি করে হয়ে থাকে। কাগজটি ২ টি দল দ্বারা যৌথভাবে চেষ্টা করার চেষ্টা করা হয়।  প্রাথমিকভাবে এই সংস্থায় ভর্তির জন্য কোন প্রাথমিক প্রস্তুতির প্রয়োজন হয় না - কেবলমাত্র নিরপেক্ষ স্বতঃস্ফূর্ততা এবং প্রার্থীদের চিন্তাভাবনা পরীক্ষা করার ক্ষমতায় একমাত্র পরীক্ষা করা হয়। প্রতিটি দল থেকে শীরমাত্র ৫০ টি দলকে পরবর্তী রাউন্ডে আমন্ত্রণ জানানো হয় । উল্লখ্য, আগামী ১৪ জুলাই নির্ধারিত প্রিমিয়ামের সাথে ২০১৯ সালে টেকনোথলনের পরবর্তী সংস্করণ অনুষ্ঠিত হবে।য়াদের ২৪ আগস্ট থেকে ১ লা সেপ্টেম্বর, ২০১৯ পর্যন্ত টেকনিকের সময় আইআইটি গুহাটি ক্যাম্পাসে আমন্ত্রণ জানানো হবে, তারা চ্যাম্পিয়নশিপ ব্যাগ করার চেষ্টা করে আরো চ্যালেঞ্জিং রাউন্ডে অংশ নিতে পারবে। প্রতিটি দল থেকে বিজয়ী দলের জন্য বিভিন্ন পুরস্কার আছে। প্রতিটি স্কোয়াড থেকে টেকনোথলন ২০১৮ এর বিজয়ীরা নাসারের নির্দেশিত সফর পেয়েছিলেন এবং রানার্স আপে এইরোর নির্দেশিত সফর পেয়েছেন। টেকনথলন ২০১৯ এর পুরস্কার এখনো প্রকাশ করা হয়নি। অফলাইন রেজিস্ট্রেশন এখন undersigned যোগাযোগ করে সম্পন্ন করা যেতে পারে। বর্তমানে নিবন্ধনকারী অংশগ্রহণকারীদের প্রযুক্তিবিদ্যার অ্যাক্সেস থাকবে - প্রযুক্তিবিদ্যার অনলাইন অনুশীলন মডিউল। টেকনথলন এর প্রশ্নপত্র কী হতে চলেছে তা প্রথম দিকের অভিজ্ঞতা দেওয়ার প্রশ্নগুলির মাসিক সেট এ পাওয়া যাবে। অতএব এটি প্রাথমিকভাবে নিবন্ধন করার পরামর্শ দেওয়া হয় যাতে শিক্ষার্থীরা এই মাসিক সিরিজের অ্যাক্সেস পেতে পারে।   অনলাইন নিবন্ধন ১ লা জানুয়ারি, ২০১৯ থেকে ছালু আছে এবং শিক্ষার্থীরা  নিচের সাইট থেকে নিবন্ধন করতে পারবে - www.technothlon.techniche.org Technothlon '19 সম্পর্কে আরও জানতে, undersigned যোগাযোগ করুন অথবা www.technothlon.techniche.org  যান। কারিগরি এক্সপোজার এবং বর্তমান বিদ্যালয়ের ছাত্রদের সত্যিকারের অনুপ্রেরণার সত্যিকারের প্রয়োজনীয়তা মাথায় রেখে আইআইটি গুহাটির শিক্ষার্থী ছাত্র-বন্ধুরা ‘’টেকনোথন-ইন্টারন্যাশনাল স্কুল চ্যাম্পিয়নশিপ’’কে তাদের বার্ষিক প্রযুক্তি-ম্যানেজমেন্ট ফেস্টিভাল টেকনিকের  একটা অংশ হিসাবে আয়োজিত করে।   বলা বাহুল্য, টেকনোথলন এখন এমন একটি ইভেন্ট হয়ে উঠেছে যা একটি ছাত্রের উদ্ভাবন এবং সৃজনশীলতা প্রকাশ করার জন্য একটি সক্ষম প্ল্যাটফর্ম হিসাবে কাজ করে চলেছে। প্রযুক্তি-ম্যানেজমেন্ট ফেস্টিভাল ,দুই ধাপে পরিচালিত - প্রিমিমস এবং মেনস, টেকনোথলন ‘১৮’ সারা দেশে ৫০০ টিরও বেশি কেন্দ্রে ব্যাপক ভাবে অংশগ্রহণ করে চলেছে।এই কেন্দ্রের শিক্ষার্থীদের ২ টি স্কোয়াডে বিভক্ত করা হয়েছে: জুনিয়র স্কোয়াড - ৯ তম এবং ১০ ম শ্রেণির শিক্ষার্থী এবং হাউস স্কোয়াড - ১১তম এবং ১২ ম শ্রেণির শিক্ষার্থী, যাদের আইআইটি গুহাটি শিক্ষার্থীদের দ্বারা পৃথক প্রশ্নপত্র পাওয়া  দেওয়া হয়।এই প্রশ্ন পত্রের কাগজ অন্য কোন প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার থেকে সম্পূর্ণ ভিন্ন; যুক্তিবিদ্যা, বিশ্লেষণাত্মক ক্ষমতা এবং বাস্তব পর্যবেক্ষণ এবং কোন একাডেমিক পাঠক্রম জড়িত উপর ভিত্তি করে হয়ে থাকে। কাগজটি ২ টি দল দ্বারা যৌথভাবে চেষ্টা করার চেষ্টা করা হয়।  প্রাথমিকভাবে এই সংস্থায় ভর্তির জন্য কোন প্রাথমিক প্রস্তুতির প্রয়োজন হয় না - কেবলমাত্র নিরপেক্ষ স্বতঃস্ফূর্ততা এবং প্রার্থীদের চিন্তাভাবনা পরীক্ষা করার ক্ষমতায় একমাত্র পরীক্ষা করা হয়। প্রতিটি দল থেকে শীরমাত্র ৫০ টি দলকে পরবর্তী রাউন্ডে আমন্ত্রণ জানানো হয় । উল্লখ্য, আগামী ১৪ জুলাই নির্ধারিত প্রিমিয়ামের সাথে ২০১৯ সালে টেকনোথলনের পরবর্তী সংস্করণ অনুষ্ঠিত হবে।য়াদের ২৪ আগস্ট থেকে ১ লা সেপ্টেম্বর, ২০১৯ পর্যন্ত টেকনিকের সময় আইআইটি গুহাটি ক্যাম্পাসে আমন্ত্রণ জানানো হবে, তারা চ্যাম্পিয়নশিপ ব্যাগ করার চেষ্টা করে আরো চ্যালেঞ্জিং রাউন্ডে অংশ নিতে পারবে। প্রতিটি দল থেকে বিজয়ী দলের জন্য বিভিন্ন পুরস্কার আছে। প্রতিটি স্কোয়াড থেকে টেকনোথলন ২০১৮ এর বিজয়ীরা নাসারের নির্দেশিত সফর পেয়েছিলেন এবং রানার্স আপে এইরোর নির্দেশিত সফর পেয়েছেন। টেকনথলন ২০১৯ এর পুরস্কার এখনো প্রকাশ করা হয়নি। অফলাইন রেজিস্ট্রেশন এখন undersigned যোগাযোগ করে সম্পন্ন করা যেতে পারে। বর্তমানে নিবন্ধনকারী অংশগ্রহণকারীদের প্রযুক্তিবিদ্যার অ্যাক্সেস থাকবে - প্রযুক্তিবিদ্যার অনলাইন অনুশীলন মডিউল। টেকনথলন এর প্রশ্নপত্র কী হতে চলেছে তা প্রথম দিকের অভিজ্ঞতা দেওয়ার প্রশ্নগুলির মাসিক সেট এ পাওয়া যাবে। অতএব এটি প্রাথমিকভাবে নিবন্ধন করার পরামর্শ দেওয়া হয় যাতে শিক্ষার্থীরা এই মাসিক সিরিজের অ্যাক্সেস পেতে পারে। অনলাইন নিবন্ধন ১ লা জানুয়ারি, ২০১৯ থেকে ছালু আছে এবং শিক্ষার্থীরা  নিচের সাইট থেকে নিবন্ধন করতে পারবে - www.technothlon.techniche.org Technothlon '19 সম্পর্কে আরও জানতে, undersigned যোগাযোগ করুন অথবা www.technothlon.techniche.org  যান।